
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মরত মো: মনিরুল ইসলাম (মঞ্জু) কর্পোরাল ব্যাচ নং (২০১৩) ঈসাখাঁ ঘাটি চট্রগ্রাম এর বিরুদ্ধে তাহার নিজ এলাকায় তার সহোদর ভাইকে দিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে ত্রাশের রাজত্ব কায়েম করার অভিযোগ উঠেছে।
এদের নামে বাউফল থানায় একটি মামলা যাহার নম্বর ২৬/২৮৬ রজু আছে।
২০২৪ সালের ১৮/০৬/২৪ তারিখে মাহবুব আলম সিপাই (৫০) পিতা, আব্দুল বরেক সিপাই কনকদিয়া ৭নং ওয়ার্ড থানা বাউফল ,
মনিরুল ইসলাম মঞ্জু ও তার ভাই সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার হতে জানা যায় ঘটনার দিন আসামি মনিরুল ইসলাম মঞ্জু ও তার ভাই সহ ৫/৬ জন মিলে একই বাড়ির জনৈক রাজ্জাক সিপাইয়ের ঘরের সামনে মাহবুব আলম সহ আরও কয়েক জনকে ধারালো ও ভোতা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দশ্যে কুপিয়ে জখম
সহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে,
এ সময়ে তাদের আত্মচিতকারে আশে পাশের লোকজন এসে তাদেরকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হসপিটালে নিয়ে যায়। থানায় মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় এজাহার নামীয় আসামি মনিরুল ইসলাম মঞ্জু একজন নৌ বাহিনীর সদস্য এবং এই ক্ষমতা বলেই তিনি এখনও ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে মারধর সহ প্রান নাশের হুমকি দিয়ে আসছে।
এলাকার সাধারণ মানুষ সহ সর্বস্তরের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন দানা বেধে আছে যে, এজাহারনামীও আসামি যাহার নামে মহামান্য আদালতের গ্রেফতারী পরেয়ানা আছে সে এখনও দেশের একটি সরকারী গুরুত্বপূর্ণ ডিপার্টমেন্টে চাকরিতে বহাল কি করে আছে।
কেন তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না?
তাহলে কি আইন শুধু সাধারণ মানুষের জন্য? সমাজের প্রভাবশালী বা সরকারি কোনো কর্মকর্তার জন্য না? তারা যখন যা খুসি তাই করে বেড়াবে এটাই মেনে নিতে হবে সাধারণ মানুষের?
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবী অনতিবিলম্বে অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করা হোক।