
বাবলু শেখ রাজবাড়ী:
রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়ন এর জৌকুড়া মৌজায় ২২৫ নং খতিয়ানের ৯২৯ নং দাগের ১৩ শতাংশের মধ্যে ১০,৮৬ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
পুলিশের এক নারী এ,এসআই মোছাম্মদ জলি খাতুন প্রভাব বিস্তার করে একই এলাকায় বেশ কিছু জমি দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করে বিক্রি করার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা, ২৭ অক্টোবর সকাল ৮ টার দিকে এ,এসআই জলি খাতুন এর নির্দেশে এলাকার সন্ত্রাসী বাহিনী,উল্লেখিত দাগ খতিয়ান নাম্বার এর জমিতে জোরপূর্বক দোকান ঘর নির্মাণাধীন চলমান রেখেছে ।
জমির মালিক ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বাধা প্রদান করতে গেলে এ,এসআই জলি খাতুনের নির্দেশে তাদেরকে শারীরিক নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ।
মৃত্যু আমিন উদ্দিনের মেয়ে, সাবেক ইউপি সদস্য চম্পা খাতুন অভিযোগ করে বলেন আমার পূর্বপুরুষের জমি ও আমার ক্রায়কৃত জমির মধ্যে ১৩ শতাংশ জমি বাড়ি করার উদ্দেশ্যে ভরাট করিলে সেই জমি সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জোরপূর্বক দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করছে , শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার কর্মরত এ,এসআই জলি খাতুন।
মৃত্যু আমিন উদ্দিন মন্ডলের দুই ছেলে এক কন্যা, বড় ছেলে ফরিদ মন্ডল ও ছোট ছেলে শরিফুল ইসলাম ঢাকায় কর্মরত রয়েছেন , মেয়ে মুসাম্মাৎ চম্পা খাতুন রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইন্দনারায়নপুর গ্রামে স্বামীর বাড়িতে থাকেন ।
চন্দনী ইউনিয়নের জৌকুড়া বাজারের পাশে নিজ বাড়িতে থাকেন বৃদ্ধ মা ফরিদা বেগম, এই সুযোগ সন্ধানে এ,এসআই জলি খাতুন একই ওয়ার্ডের রাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে মোঃ মিজান বিশ্বাসকে অর্থের বিনিময় ব্যবহার করছে, এ,এস আই জলি খাতুন ।
মোঃ মিজান বিশ্বাস তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে দোকান ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এই সাবেক ইউপি সদস্য চম্পা খাতুন, সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন আমার বাবার মৃত্যুর পর এরা আমাদের একাধিক জমি জোরপূর্বক দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করে বিক্রি করে দিয়েছে, আমরা অসহায় হওয়ায় , কোথাও গিয়ে আমরা ন্যায় বিচার পাচ্ছি না, আপনাদের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট আবেদন এই দখলবাজদের নিকট হতে আমাদের জৌকুড়া বাজারের জমি রক্ষা করার অনুরোধ করছি, এবং নির্মানাধীন চলমান দোকান ঘর বন্ধের দাবি জানাচ্ছি ।
শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার কর্মরত এ এস আই জলি খাতুন এই প্রতিবেদককে মুঠো ফোনে বলেন আমি চাকুরী করি বাড়িতে তেমন একটা যাওয়া হয় না, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আমার তেমন কিছু জানা নেই, এই বিষয়ে আমার বোন বিস্তারিত বলতে পারবে । সাবেক ইউপি সদস্য চম্পা খাতুন আমার চাচাতো বোন , ওই জমি আমাদের ওয়ারিশের জমি , চম্পা খাতুন ওই জমির বিষয়ে অভিযোগ করিলে ওয়ান ফোরটি ফোর জারি হয় , এক বছর পরে আমাদের পক্ষে আদেশ পেয়ে আমার বোন দোকান ঘর নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছে , জলি খাতুন আরো বলেন মিজান বিশ্বাস আমাদের ফুপাতো ভাই সে কোন সন্ত্রাসী নয়, মিজান বিশ্বাসের মা ওয়ারিশ অর্থে ওই জমিনের মালিকানা রয়েছেন ।
এএসআই জলি খাতুন মুঠোফোনে আরো বলেন চম্পা খাতুন আইনি প্রক্রিয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে হেরে গিয়েছেন , এখন সংবাদ কর্মীদের নিকটে গিয়ে ধরাধরি করছেন ।
এএসআই জলি খাতুন এই প্রতিবেদক কে পারিবারীক বিষয়ে সংবাদ প্রচার না করার অনুরোধ জানান ।