
বাবলু শেখ রাজবাড়ীঃ
রাজবাড়ী সদর উপজেলা মূলঘড় ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের রশোড়া এলাকার বাঘিয়া গ্রামের মোঃ আক্কাস শেখের ছেলে মোঃ আনজু শেখ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে কোলা তমিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এর এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে একাধিক দৈহিক সম্পর্ক করেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সহ পরিবারের সদস্যরা ।
ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন সাড়ে তিন বছরের সম্পর্কের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে কোলার হাট বাজারের কসমেটিক ব্যবসায়ী সাগর মিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একাধিকবার আনজু সেখ আমার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়, এবং সে আমাকে একাধীক জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়ানোসহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করেন ।
কোলারহাট বাজার ব্যবসাহী কসমেটিক দোকানদার সাগর মিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলাদা একটি কক্ষ রয়েছে সেই পক্ষে অনৈতিক কাজ করার হয় টাকার বিনিময়, সাগর তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে টাকার বিনিময় অনৈতিক কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন, একাধিকবার।
এই শিক্ষার্থীর বয়স ১৬ বছর হলেও এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেন নাই বলে শিক্ষার্থী জানান , ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন মোঃ আনজু সেখ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় একাধিকবার এবং ভুক্তভোগীকে আনজু বলেন আমার পরিবারের সদস্যরা রাজি না হইলে তুমি আমার বাড়িতে উঠে যাবা ।
ইতিমধ্যে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, আনজু শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে যোগাযোগে ব্যর্থ হয়ে, বিয়ের দাবিতে আনজু শেখের বাড়িতে গিয়ে আমরণ অনশন পালন করছেন বলে এলাকাবাসী সহ একাধিক ব্যক্তি বিষয়টি নিশ্চিত করেন । ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর উপস্থিতি টের পেয়ে আনজু শেখ বাড়ি থেকে লাপাত্তা হয়ে যান বলে ওই শিক্ষার্থী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন, স্ত্রীর মর্যাদা না দেয়া পর্যন্ত এই আমরণ অনশন অব্যাহত রাখবেন বলে জানান ওই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোঃ আনজু শেখ এর পিতা আক্কাস শেখ এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি , আনজু শেখের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় ।
ঘটনার সত্যতা জানতে কোলারহাট বাজার ব্যবসাহী সাগর মিয়ার কসমেটিক দোকানে গেলে সংবাদকর্মীর উপস্থিতি টের পেয়ে দোকান বন্ধ করে শুটকে পড়েন সাগর মিয়া । সাগর মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে বন্ধ পাওয়া যায় । তিনি আনজাু মিয়ার এলাকার ছেলে দূর সম্পর্কে চাচাতো ভাই হয় বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী সহ ইউপি সদস্যরা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেন ।
কোলা তজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ভুক্তভোগী মোছাম্মৎ সুমি আক্তার, শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বড় নুরপুর এলাকার মোঃ এজতেফা খান এর মেয়ে, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বিষয়টি সুস্থ সমাধানের দাবি জানান ।
ভুক্তভোগী সুমি আক্তার বলেন আমাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে গ্রহণ না করা পর্যন্ত আমি অনশন চালিয়ে যাব, প্রয়োজন হলে এই বাড়িতেই আমি আত্মহত্যা করব, এ বাড়িতেই আমার লাশ দাফন হবে বলে বিষয়টি জানান এই শিক্ষার্থী। তবে এলাকাবাসী জানান মেয়েটির প্রাপ্ত বয়স হয়নি বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ।