
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বর্তমান বাজারে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এবং কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের অবৈধ মজুতকরণ এবং দাম বৃদ্ধিজনিত সংকট মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন, কেরানীগঞ্জ কর্তৃক উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময়ে রামেরকান্দা বাজারে খোলা বাজারে একজন ব্যবসায়ী কর্তৃক ২৩০টাকা/ লিটার দরে অকটেন একজন বাইক আরোহীর কাছে ১২ লিটার বিক্রয় করার সময় হাতেনাতে ধরা হয়। তাকে পেট্রোলিয়াম আইন ২০১৬ অনুযায়ী ১০,০০০/-টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে তার প্রদত্ত তথ্যসূত্রে কদমতলী গোলচক্কর অবস্থিত তানাকা ফিলিং স্টেশন এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময়ে যানবাহন ব্যতীত গ্যালোনে করে ১৩৫/- টাকা দরে অকটেন বিক্রির অভিযোগ সত্যতা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তাদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি পরিলক্ষিত হওয়ায় তাদেরকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন ২০২৬ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০১৯ অনুযায়ী ৫০,০০০/- টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়
উপজেলা নির্বাহ অফিসার, কেরানীগঞ্জ জনাব উমর ফারুক এর নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালনা করেন জনাব জান্নাতুল মাওয়া, সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, কেরানীগঞ্জ ঢাকা। এ সময়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
অভিযান শেষে জান্নাতুল মাওয়া জানান, জ্বালানি তেলের জাতীয় সংকটময় পরিস্থিতিতে কোন অসাধু মহলের জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতকরণ এবং অধিক দামে বিক্রয় রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সকলকে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানে জন্য তিনি অনুরোধ জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব উমর ফারুক বলেন, উপজেলা প্রশাসন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বদ্ধ পরিকর। ভবিষ্যতে খোলা বাজারে অধিক মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি এবং তা সরবরাহকারী ও মজুদদারদের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স রয়েছে।