
এম,এ মালেক,
হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ)
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ধারা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক নূর মোহাম্মদ উজ্জ্বল তাঁর বিরুদ্ধে আনীত মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
গত ২১ জুলাই ২০২৬ রোজ মঙ্গলবার কলেজটির লাইব্রেরিয়ান শাহানাজ বেগমের করা একটি সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে,বুধবার ২২ জুলাই দুপুরে হালুয়াঘাট প্রেসক্লাব কার্যলয়ে সংবাদ সম্মেলন প্রভাষক নূর মোহাম্মদ উজ্জ্বল এই বিবৃতি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানান, লাইব্রেরিয়ান শাহানাজ বেগম অভিযোগ করেন যে, প্রভাষক নূর মোহাম্মদ উজ্জ্বল এবং স্থানীয় বিএনপির সন্ত্রাসীরা মিলে সাইনবোর্ড স্থাপন করে তাঁর বাসায় যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন প্রভাষক নূর মোহাম্মদ উজ্জ্বল। তিনি জানান, ছাত্রাবস্থায় ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও ২০০৫ সালে চাকরিতে যোগদানের পর থেকে তিনি কোনো রাজনৈতিক দল ও দলীয় কর্মকাণ্ডের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত নন।
স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে জানা যায়, শাহানাজ বেগমের স্বামী ধারা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের জীববিজ্ঞান প্রদর্শক এবং ১২নং স্বদেশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজিম উদ্দিন। তিনি তাঁর বাসায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আগামী ৫ আগস্টকে সামনে রেখে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্যে প্রস্তুতিমূলক আলোচনা করছিলেন। এরই প্রেক্ষাপটে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ সিএন্ডবির জায়গায় একটি জিয়া পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের সাইনবোর্ড স্থাপন করেন।
প্রভাষক উজ্জ্বল আরও জানান, শাহানাজ বেগমের স্বামী আওয়ামী রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় এবং তাঁকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যেই শাহানাজ বেগম এই মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সাইনবোর্ডটি রাতে নয়, বরং দিনের আলোতে স্থাপন করা হয়েছিল এবং সাইনবোর্ড লাগানোর সময় শাহানাজ বেগম ধারালো দা নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের তাড়া করতে আসেন, যা মোবাইলে ভিডিও ধারণকৃত রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলন করায় তিনি এর তীব্র নিন্দা জানান। পাশাপাশি, স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যিন তিনি বিশেষভাবে আবেদন জানিয়েছেন।