
মোঃ মাসুদ রানা , বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের আবু বকর বিশ্বাস মোকসেদ আলী মহিলা আলিম মাদ্রাসার সুপার নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আটকিয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক্ষেত্রে বিড়ম্বনায় পড়েছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেনীতে ভর্তিইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা।
আবেদনের প্রেক্ষিতে কয়েকজনকে প্রবেশপত্র দেওয়া হলেও গোপন রাখা হচ্ছে পিন নম্বর। তাই মেধাবী শিক্ষার্থীদের চোখে মুখে ফুটে উঠেছে হতাশার ছাপ। আলিম পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সকল পরীক্ষার্থীর নিকট থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় নাম্বার না দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে এ এডমিড কার্ড আটকে রাখা হয়। এ ব্যপারে
অভিযোগ তুলেছে খোদ শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরা।
প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থীরা জানান, সুপার নজরুল ইসলাম তাদেরকে ঐ প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রবেশপত্র আটকিয়ে রেখে হয়রানি করছেন। ইতিমধ্যে তিনি প্রবেশপত্র আটকিয়ে দিয়ে ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ভর্তির আবেদন নিজে করে দিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, অনলাইন আবেদনের কপিতে আবুবক্কর বিশ্বাস মোকসেদ আলী মহিলা আলিম মাদ্রাসার নাম ১ম পছন্দের তালিকা দিয়েছেন। যে কারনে আমরা হারাতে বসেছি ভাল প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবু বকর বিশ্বাস মোকসেদ আলী মহিলা আলিম মাদ্রাসার সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, এইসব শিক্ষার্থীরা প্রথম শ্রেনী থেকে আমাদের প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করেছে যে কারনে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির ব্যপারে তাদের প্রতি আমাদের দাবি রয়েছে। আবেদন করলে প্রবেশপত্র ফেরত দেওয়া হবে। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মনিরুল ইসলাম বলেন,এমনটি হওয়ার কোন নিয়ম নেই। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখব। ইতিপূর্বে সুপার নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীকে নিজ প্রতিষ্ঠানে অভিভাবকদের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে ছাত্রীদের ধরে রাখায় ক্ষুদ্ধ অভিভাবকরা।