সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

নেছারাবাদে ২২০ কেজি হরিনের মাংস সহ আটক ২(দুই)

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮৪ বার পঠিত

আরিফ বিল্লাহ।
নেছারাবাদ(পিরোজপুর)

পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দৈহারী নৌপুলিশ। সোমবার দুপুরে উপজেলার ভরতকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি কাঠবডির ট্রলারে তল্লাশি করে এসব মাংস উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার খাসতবক গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে মো. খলিল (৪১) এবং একই উপজেলার তাফালবাড়িয়া গ্রামের চান মিয়া মাঝির ছেলে বাবুল ফরাজি (৪২)।

দৈহারী নৌপুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে উপজেলার বেলুয়া নদীর ভরতকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি কাঠবডির ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ২২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। পরে মাংস পরিবহনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে খলিল ও বাবুল ফরাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দৈহারী নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বরগুনার পাথরঘাটা এলাকা থেকে বিভিন্ন নৌপথে নেছারাবাদে অবৈধভাবে হরিণের মাংস আনা হচ্ছে। কাঠ, গোলপাতা ও মাছবাহী ট্রলারসহ বিভিন্ন নৌযানে এসব মাংস পরিবহন করা হয় বলে তাঁদের দাবি। পরে নেছারাবাদের বিভিন্ন এলাকায় থাকা ব্যবসায়ীদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন অভিযানে এ-সংক্রান্ত ঘটনায় কয়েকজন আটক হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি অবৈধ এ বাণিজ্য। এমনকি দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের কারণে পচা মাংস বাজারজাত করার অভিযোগও রয়েছে। আবার হরিণের মাংসের সঙ্গে অন্য প্রাণীর মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, অভিযানে জব্দ করা ২২০ কেজি মাংসের পরবর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিদ্যমান আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি হরিণ শিকার, মাংস পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে নৌপথে নজরদারি ও টহল আরও জোরদারের দাবি তাঁদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park