
মোঃ মাসুদ রানা,
(ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের প্রমাণ পাওয়ায় চলতি মাসে প্রায় ৩০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ডোপ টেস্টে মাদক গ্রহণের প্রমাণ পাওয়ায় তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) পাঁচজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের ডোপ টেস্টের জন্য ঝিনাইদহ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় সবার ফল পজিটিভ আসে। এরপর তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার ২১ নম্বর ক্রম অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—কালীগঞ্জ উপজেলার ষাটবাড়িয়া গ্রামের জুয়েল মণ্ডল (৩৫), বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের সম্রাট মির্জা (১৯), মাহিন ইসলাম (২০) ও ইমন মির্জা (২৮) এবং ঈশ্বরবা গ্রামের সম্রাট বিশ্বাস (২০)।
আদালত জুয়েল মণ্ডলকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। সম্রাট মির্জাকে ১০ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, মাহিন ইসলাম ও ইমন মির্জাকে সাত মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড এবং সম্রাট বিশ্বাসকে ১০ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, জেলা পুলিশের নির্দেশনায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডোপ টেস্টে মাদক গ্রহণের প্রমাণ পাওয়ার পর তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন।
মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ওসি।