সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে মানববন্ধন।

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৪১ বার পঠিত

মোঃ আহাজ উদ্দীন,সাতক্ষীরা :

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল পাঁচটায় সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে মেডিকেল কলেজের সামনের দোকানি আজিজুল ইসলাম বাবু বলেন, অনিয়ম দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার আখড়ায় পরিণত হয়েছে সামেক হাসপাতাল। এখানে রোগীরা চিকিৎসা পায় না,পায় না ঔষধ। অন্যদিকে প্রায়শই দেখা যায় ইন্টার্ন ডাক্তার ও নার্সরা মেডিকেলের স্টোর থেকে ওষুধ বের করে বাইরে বিক্রি করছে। অথচ সাধারণ মানুষ একটা পাঁচ টাকার সিরিঞ্জ পায় না। হাসপাতালের বাথরুমগুলো খুবই অপরিষ্কার। মেডিকেলে সরবরাহ করা টয়লেট ক্লিনার ও ঝাড়ু আউটসোর্সিং এর কর্মীরা বাইরে এনে বিক্রি করে দেয়। বারবার হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব বিষয়গুলো উঠে আসলেও কোন প্রতিকার হয় না। আমরা আমাদের মেডিকেল থেকে সুস্বাস্থ্যসেবা পেতে চাই।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী আলাউদ্দিন গাজী বলেন, প্রতিনিয়ত মেডিকেল কলেজ থেকে ঔষুধ বাইরে বিক্রি করে মেডিকেলের স্টাফ ও নার্স। ফলে সাধারণ জনগন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। আমরা এর প্রতিকার চাই।

ভুক্তভোগী মনজুয়ারা জানান, আমার নাতিকে রবিবার রাতে সামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে মেডিকেলের ৬ তলায় শিশু ওয়ার্ডে রেফার করা হলে সেখানে বাচ্চাকে নিয়ে যাই। মুমূর্ষ অবস্থায় ভর্তি করার পরও স্টাফ ও নার্সরা সেবা না দিয়ে গল্প করতে থাকে। আমি তাদেরকে বাচ্চাটার দিকে খেয়াল করার জন্য অনুরোধ করলে তারা আমাকে বকাঝকা করে। এ সময় তাদের সাথে দুইজন আনসার সদস্য যোগ দেয়। এক পর্যায়ে আমাদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়। এ সময় আমিও আর আমার মেয়ে আহত হই।

অন্য এক ভুক্তভোগী রায়হান জানান, আমার বাচ্চাকে গুরুতর অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। কিন্তু ভালোভাবে চিকিৎসা না করে পর দিনেই তাকে রিলিজ দিয়ে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু আমি রিলিজ না নিলে নাসারা আমার সাথে, আমার স্ত্রী ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। প্রত্যেকের সাথে এরকম আচরণ করছে তারা

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park