
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার সংহাই গ্রামের আলোচিত বাল্য বিবাহের সত্যতা পাওয়ার পরেও নেওয়া হয়নি আইনগত ব্যবস্থা।জানা যায় শাহরাস্তি উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাকছুদা আক্তার স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদন বিগত ১২/১১/২৩ তারিখে স্বারক নং ৩০৯ এর মাধ্যমে শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট জমা দেওয়া হয় কিন্তু এ যাবৎ এ ব্যপারে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।অনুসন্ধানে জানা যায় বিগত ২৫/১০/২৩ তারিখে সংহাই গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে এর সাথে একই গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে মো: ইয়াছিনের নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বাল্য বিবাহ হয়।নোটারি পাবলিকে স্বাক্ষর করেন ৪ জন তারা হলেন সূচিপাড়া দক্ষিন ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: মিজানুর রহমান এবং মেয়ের বাবা আব্দুর রহিম ও মেয়ের চাচা মো: দুলাল হোসেন সেই সাথে একই গ্রামের বাসিন্ধা আব্দুর রাজ্জাক স্বাক্ষর করে।আলোচিত এই বাল্য বিবাহের ঘটনায় সত্যতা পাওয়ার পরেও সে সময়ে জড়িতরা কথিত আওয়ামি নেতাদের আশ্রয়ে থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এখন ফের দলবদল করে কিছু বিএনপি নেতাদের মাধ্যমে তদবীরের চেষ্টা করছে জড়িতরা।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে একটি আলোচিত বাল্য বিবাহের সত্যতা পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট জমা দেওয়া হয়,পরবর্তিতে কোন দপ্তরে গিয়েছে তা আমাদের জানা নেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার পরেও প্রায় ১৪ মাসের কাছাকাছি কিন্তু এ যাবৎ এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি,এ ঘটনায় সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন এমনটাই প্রত্যাশা করেন সাধারন জনগন।