
বিশেষ প্রতিনিধি :
চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার কাদরা গ্রামে শিশু ধর্ষন চেষ্টার মামলার আসামিকে বাঁচাতে অভিনব কায়দায় মানববন্ধন করার খবর পাওয়া গেছে।জানা যায় গত ৩/২/২৫ তারিখে কাদরা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের ইমাম আব্দুল লতিফ স্থানীয় ১২ বছরের শিশু মেয়ে কে আরবি পড়ানো শেষে জোরপূর্বক ধর্ষন করার চেষ্টা করে।তখন শিশু মেয়েটি দৌড় দিয়ে বাড়িতে এসে ঘটনার বিবরন বললে শিশু মেয়েটির মা সহ তার চাচা মোরশেদ আলম অভিযুক্ত ইমামকে জিঙ্গাসাবাদ করতে এগিয়ে গেলে ইমাম আব্দুল লতিফ স্থানীয় জনতাকে ভুল বুজিয়ে উত্তেজিত করে বিষয়টি আড়াল করে ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা করে,মুহুত্বে ঘটনাটি আশপাশ গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে অভিযুক্ত ইমামকে আটক করে নিয়ে যায়।পরবর্তিতে ভিকটিমের মা ছখিনা বেগম নিজে বাদী হয়ে শাহরাস্তি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দেন মামলা নম্বর ২ তারিখ ৪/২/২৫।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত মসজিদের ইমাম আব্দুল লতিফ কারাগারে থাকায়।কয়েকদিন পর তার সহযোগীতাকারীরা অভিনব কায়দায় মানববন্ধন করে এলাকার সাধারন জনগনকে উত্তেজিত করে বাদীর বসত বাড়ি কর্নপাড়া গ্রামের মিজি বাড়িতে,লুটতরাজ সহ আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া ও তার ভাসুর মোরশেদ আলম সহ তাদের আত্মীয়-স্বজনের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে কয়েকবার,যা ধারাবাহিক ভাবে এখনো চেষ্টা করে চলছে।শুধু এখানে থেমে নয় কথিত মানববন্ধনকারীগন মামলা তুলে নিতে প্রকাশ্যে বাদীকে হত্যার হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্ত ইমামকে জামিন করানোর পর বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেয়।যদিও ইতিমধ্যে কথিত মানববন্ধন কারীদের সহযোগীতায় অভিযুক্ত ইমাম আব্দুল লতিফের পিতাকে দিয়ে হয়রানীর উদ্দেশ্যে একটি মিথ্যা মামলাও করে।বাদী ছখিনা বেগম বলেন যারা মানববন্ধনের পাশে এসে দাড়িয়েছে সবাই তো আর অপরাধী না এখানে পথচারী থাকতে পারে কিন্তু যারা মানববন্ধন এর নামে বাড়ি ঘর লুট করা সহ আমাদের পরিবারের সদস্যদের দেখা মাত্র গনপিটুনী দিয়ে হত্যা করার জন্য উসকানি দিয়ে মানববন্ধন এর নামে ব্যানারে দাড়িয়ে এলাকাবাসীকে উসকানি দিয়েছে,আমি তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানাই।পরিকল্পিত ভাবে ইমাম আব্দুল লতিফ মানববন্ধনকারীদের সহযোগীতায় আমার মেয়েকে হত্যা করার জন্য ধর্ষনের চেষ্টা করে। জড়িতদের চিন্হিত করে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের এলাকায় স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার জন্য জেলা পুলিশ সুপার এর আসন্ন হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।