
বিশেষ প্রতিনিধি :
ঢাকা জেলার অন্তর্গত কেরানীগঞ্জ উপজেলাধীন উল্টা মৌজায় ক্ষমতা ও টাকার জোড়ে নিরীহ অসহায় ব্যাক্তিদের ওয়ারিশান সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কেরানীগঞ্জের আটি বাজারস্হ উল্টা মৌজায় সফর মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, রমজান ও হোসেন গংরা ওয়ারিশান ও পৈত্রিক সূত্রে সম্পত্তির মালিক হয়ে সুদীর্ঘকাল থেকে বসবাস করে আসছে এবং জমিজমা চাষাবাদ করে আসছে। কিন্তু তারা সহজ সরল ও অশিক্ষিত লোক হওয়ায় তাদের অন্য ওয়ারিশানদের ভিতর দেলোয়ার, মনির, নাজির মিয়া, মঞ্জু মিয়া ও আব্দুল কাইয়ুম গংরা সরকারি চাকরি করে এবং প্রবাসে থাকায় অর্থ বিত্ত ও ক্ষমতার বলে সকল সম্পত্তি গ্রাস করে নিছে ও উক্ত সম্পত্তির বিরাট অংশ বিক্রি করে দিছে আর বাকি সম্পত্তিও বিক্রি করার পায়তারা করছে।
এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করার জন্য একটি প্রতিবেদক দল সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে ভুক্তভোগী ও এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারে, কেরানীগঞ্জ উপজেলার আটি বাজারস্হ উল্টা মৌজায় সিএস খতিয়ান ৪৩ এসএ খতিয়ান ৩০ দাগের সম্পত্তিতে উভয় পক্ষই ওয়ারিশান সূত্রে মালিক কিন্তু সফর মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, রমজান ও হোসেন গংরা অশিক্ষিত হওয়ায় এবং জমির কাগজপত্র না বোঝার কারনে দেলোয়ার, মনির, নাজির মিয়া, মঞ্জু মিয়া ও আব্দুল কাইয়ুম সহ আরো গংরা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চাকরি করে ও বিদেশ থাকার কারনে অনেক টাকা এবং ক্ষমতার মালিক হওয়ায় তারা গোপনে সকল সম্পত্তি তাদের নামে আরএস রেকর্ডভুক্ত করে নেয়। আর এতেই ক্ষ্যান্ত হয় নাই উক্ত সম্পত্তি তারা প্রকৃত দামের চেয়ে কম দামে এবং কোন কোন জমি অর্ধেক দামেও বিক্রি করে দিতেছে। এসকল বিষয় নিয়ে ভুক্তভোগীরা আদালতে আরএস সংশোধন মামলা করায় তাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাইতেছে ও হুমকি প্রদান করে আসতেছে। এলাকাবাসী আরো জানায় ভুক্তভোগীগন সম্পত্তির মালিক হওয়া সত্ত্বেও এখন এক প্রকার সহায় সম্পত্তিহীন অবস্হায় বসবাস করতেছে।
ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর হোসেন এই প্রতিবেদক দলকে জানান তারা অশিক্ষিত, সহজ সরল মানুষ কিন্তু তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই তাদের দাবী হলো সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত ব্যবস্হা গ্রহন করে জমির প্রকৃত মালিকদেরকে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যাবস্হা গ্রহন করবে।
প্রতিবেদক দল অভিযুক্ত মনির ও নাজির মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকার কল দিলেও তারা কল রিসিভ করে নাই।