
বাবলু শেখ রাজবাড়ীঃ
রাজবাড়ী সদর উপজেলা রামকান্তপুর ইউনিয়নের ভেল্লা বাড়িয়া গ্রামের মোঃ রফিক উদ্দিন মোল্লা অভিযোগ করে বলেন বালিয়াকান্দি উপজেলা ইসলামপুর ইউনিয়নের আড়াবাড়িয়া গ্রামের গণপূর্ত মৌজার ৯০ শতাংশ ক্রয় কৃত জমির মধ্যে ২৭ শতাংশ জমিনে দীর্ঘদিন যাবত কলার বাগান করে আসছিলেন রফিক উদ্দিন মোল্লা ।
সাবেক পুলিশ সদস্য আব্দুর রহমান মোল্লা হঠাৎ দাবি করেন একই দাগে তার জমি রয়েছে বলে, স্থানীয় এলাকাবাসীর মাধ্যমে আব্দুর রহমান মোল্লার জমিন বুঝিয়ে দেয়ার আহবান জানা , একপর্যায়ে জমি মাপার আমিন মোঃ ইউসুফ মিয়ার মাধ্যমে নিজ জমি বুঝে নেন আব্দুর রহমান মোল্লা , একপর্যায়ে জমি দখলের উদ্দেশ্যে লোক মারফতে কলার বাগান পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে কিছু কলাগাছ কেটে ফেললে , জমির মালিক রফিক উদ্দিন মোল্লা জানতে পারলে বেরিয়ে আসে মূল রহস্য , কাগজপত্র দেখে উভয়পক্ষ পরবর্তীতে বুঝতে পারে একই মৌজায় আব্দুর রহমানের জমি থাকলেও সেই জমি ভিন্ন দাগ নম্বরে অন্য পাশে বলে জানা যায়, জমি মাপার আমিন মোঃ ইউসুফ মিয়ার ভুল সিদ্ধান্তের বলির পাঠা হলেন জমি ও বাগান মালিক রফিক উদ্দিন মোল্লা , স্থানীয় সালিশে আব্দুর রহমান মোল্লা ভুল স্বীকার করলেও ক্ষতিপূরণ পাইনি জমির মালিক রফিক উদ্দিন মোল্লা ।
এতে রফিক উদ্দিন মোল্লার ছেলে নিলু মোল্লা অভিযোগ করে বলেন তাদের বাগানের শতাধিক কলা গাছ কেটে গড়াই নদীতে ফেলে দেন আব্দুর রহমান মোল্লা সহ তার লোকজন , নিলু মোল্লা বলেন রামকান্তপুর ইউনিয়ানের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হাশেম বিশ্বাস ও ইউপি সদস্য বাহাদুর বিশ্বাস ঘটনার সময় সরজমিনে উপস্থিত ছিলেন, কলার বাগানের পাশে বসতি মোঃ মাসুদ শেখ, সেলিনা বেগম , মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম , বিল্লাল শিকদার ও সাবেক পুলিশ সদস্য আব্দুর রহমান মোল্লা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন রামকান্তপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হাশেম বিশ্বাস ও ইউপি সদস্য বাহাদুর বিশ্বাস, কলার বাগান কাটা ও দখলের সময় সরজমিনে উপস্থিত ছিলেন না বলে একাধিক এলাকাবাসী জানান