
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
চৌদার লক্ষীপুর পার গেশে বয়ে যাওয়া আখালিয়া নদীর পারের সরকারি হালটে চলাচলের রাস্তাটিতে বসত ঘর স্থাপন করে যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে কিছু সংখ্যক প্রাবাবশালী আওয়ামী দখলদাররা
ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চৌদার লক্ষীপুর গেসে যাওয়া আখালিয়া ননীর পার ববালুর ঘাট সংলগ্ন সরকারি হালট আমিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী কোন কোন জায়গা ৭০ ফুট আবার কোন জায়গায় ৮০ফুট সরকারি হালট সনাক্ত করা হয়েছে। নদী খননের মাটি ভরাট করে এলাকার গরীব অসহায় খেটে খাওয়া জনগনের চলাচল করার একমাত্র রাস্তাটি টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে কিছু সংখ্যক প্রভাবশালী ও উশৃঙ্খল বেপোরোয়া ফেসিস্ট আওয়ামী দুসুরেরা। তারা জনগনের অধিকার ও সরকারের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মে লিপ্ত আছে । তাতে আগামী দিনে আইন শৃঙ্খলা অবনতি হতে পারে এমনটা ধারণা করছে এলাকাবাসী।তাদের এসব বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত আছে এবং তারা প্রতিনিয়তই খুন, জখম করবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীকে । এদিকে ভুক্তভোগীরা কোনরকম উপায় না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে উহার প্রতিকার প্রসঙ্গের গনস্বাক্ষর সম্মিলিত একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরবীর্ততে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি তদন্ত করার জন্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি এর মাধ্যমে ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তাকে তদন্ত কয়ার জন্যে অবগত করেন। ১০এপ্রিল বৃহস্পতিবার সরকারি হালটের সঠিক তদন্তের প্রতিবেদন আসলেউ তারা ত অমান্য করে পূনরায় উক্ত যাতায়তের বাস্তাটিতে আনুমানিক ৫০ হাত একটি টিনের বেড়া রাতারাতি স্থাপনা করে। এদিকে ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বাদল সরজমিনে গিয়ে গ্রাম্য সালিসের মাধ্যমে রাস্তাটি করার জন্যে এলাকাসীসহ সম্মিলিত একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তাউ অমান্য করেন অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে এই বিষয়টি নিয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় এলাকাবাসীর পক্ষ হয়ে মো খোকন মিয়া নামে এক ব্যাক্তি একটি অভিযোগ দায়ের করেন, ফুলবাড়িয়া থানার এস আই, হারুন তদন্তটি নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে ঘর উঠানো বিষয়টি নিষেধ প্রদান করলেউ তার নিষেধ অমান্য করে পুনরায় রাস্তার উপর টিনের বসদ ঘর স্থাপন করেন আওয়ামী দখলদাররা। এদিকে ভোক্তভুগি এলাকাবাসীদের একটা দাবি যাতে উক্ত রাস্তাটি দিয়ে আবার পুনরায় যাতায়ত করতে পারে তার সু-ব্যবস্থা প্রদান করার আহবান জানান তারা