
বিশেষ প্রতিনিধি :
চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার সংহাই গ্রামের মো:কামাল হোসেন পিতা মো:বিল্লাল হোসেন ও মো:রাসেদ পিতা মো: বিল্লাল হোসেন,একাধিক মামলার এই পলাতক আসামিরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।জানা যায় দেশের বিভিন্ন থানায় হওয়া একাধিক মামলায় পলাতক রয়েছেন এই দুজন।প্রকাশ্যে তাদের দেখা গেলেও ধরা পড়েনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে।অনুসন্ধানে জানা যায় গার্মেন্টস স্টক লটের ব্যবসা পরিচয়ে ঢাকা শাহবাগ থানা এলাকার ফুলবাড়িয়া-এনেস্কো টাওয়ারের ৮ম তলায় সপ্তাহে ২/১ দিন পর পর তাদের দেখা যায়,বাকি দিন গুলোতে তাদের ঢাকা-কদমতলী থানার মুজাহিদ নগর এলাকায় দেখা যায় সেখানেও গার্মেন্টস স্টক লটের ব্যবসা পরিচয় দিয়ে থাকেন।তবে মাঝে মধ্যে তাদের নিজ এলাকা চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার সংহাই গ্রামে প্রকাশ্যে দেখা যায়।মাসে কয়েকদিন নিজ এলাকায় দেখা গেলেও বাকি দিন গুলোতে ঢাকা শাহবাগ ও কদমতলী থানা এলাকায় চোখে পড়ার মত।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখে আংগুল দিয়ে একাধিক নিয়মিত মামলার এই পলাতক আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে দাপটে।নিজেদের কে গ্রেফতার এড়াতে পরিচয় গোঁপন করে একেক সময় একেক পরিচয় দিয়ে বেড়ান।আরো জানা যায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করলে টার্গেট করে সে সকল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে অভিযোগ দিতে বেপরোয়া হয়ে উঠে,নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে গ্রেফতার থেকে বাঁচতে কেউ যেন তাদের বিরুদ্ধে তথ্য না দেয় তার জন্য সাধারন জনগনকে ভুল বুজিয়ে,তাদের কাছ থেকে সাদা কাগজে সই নিয়ে,সাধারন জনগনের আবেগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে, নামে- বেনামে অভিযোগ দিয়ে উল্টো তথ্য প্রদানকারীবে হয়রানী করে,যে কারনে ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে তথ্য দিতে চায় না।বিভিন্ন সময়ে নামে-বেনামে অভিযোগের কপি নিয়ে মো:কামাল হোসেন ও মো:রাসেদ কে কখনো পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স আবার কখনো চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার এবং শাহরাস্তি থানা এর আশেপাশে ঘুরতে দেখা যায়।গ্রেফতার এড়াতে তাদের কৌশল এখানে থেমে নেই মো:কামাল হোসেন কখনো নিজ এলাকার স্থানীয় ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি আবার কখনো ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবদলের সভাপতি পরিচয় দেয়,ও মো:রাসেদ নিজেকে ঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রদলের সভাপতি পরিচয় দিয়ে বেড়ান।আর এ সকল ভুয়া পরিচয় দিয়ে নাম মাত্র কয়েকজন এর সাথে গড়ে তোলেন সম্পর্ক।যাদের আবেগে পেলে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে সে সকল ব্যক্তিদের দিয়ে করেন তদবির।ভংকর এই দুই অপরাধী একাধিক মামলার পলাতক আসামি হয়ে,কখনো নিজ এলাকা আবার কখনো ঢাকা শাহবাগ ও কদমতলী থানা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর কারনে সরকার প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের দ্রুত আটকের মাধ্যমে তাদের নামে থাকা মামলা সনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট থানাকে সহযোগীতা করে,আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের অবস্থান স্পষ্ট করবে এমনটাই প্রত্যাশা দেশের সাধারন জনগনের।