
বিশেষ প্রতিনিধি:
আজ দীর্ঘদিন ধরে বুড়ী তিস্তা নদী রক্ষা বাঁধ দিয়ে টেন্ডারের মাধ্যমে বালু বিক্রি হয় সেই বালু ড্রাম ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু ড্রাম টাকের কারণে বাঁধের ফাটল ধরে বিভিন্ন জায়গায় পরবর্তী সময়ে বালু টেন্ডারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও যেন শেষ হয়ে যায়নি বালু উত্তোলন। তাইতো প্রতিদিনেই টেন্ডারের বালু শেষ করে এখন নদীর চর কেটে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু, সেই বালু নিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। স্বস্তিতে নেই বাঁধের দুই ধারের মানুষ কারণ বর্ষাকাল আসলে একটি ভ্যান গাড়ি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার বুদ্ধি নেই কাদা পানির জন্য। কিন্তু এখন শীতকালের ঠিক যেন শুরুর দিকে ধুলি দিয়ে ভরে যাচ্ছে দুই ধার তাতে করে শিক্ষাবিদ্যালয় সহ সমস্যা হচ্ছে অনেক দিকে সাধারণ মানুষদের। কিন্তু একথা থেকে যায় সচেতন নাগরিকরা বলতেছে যে আমরা জানি যে টেন্ডারের মাধ্যমে বালু বিক্রি হয়ে যায় সেই বালু নিয়ে যাওয়া হয় বিভিন্ন ট্রাক্টর গাড়ি ও ছোট করে যানবাহনে কিন্তু এখানে দেখি মস্ত বড় ১০ চাকা, ১২ চাকার, ড্রাম ট্রাক যা কিন্তু ক্ষতি করতেই পারে নদী রক্ষা বাঁধের। তাই আমরা চাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে নয়তো তার জবাব বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কে দিতে হবে। তবে বিষয়টি নিয়ে নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি দেখতেছি বিষয়টি। তবে আপনারা জলঢাকা উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে পারেন যে আসলে তাদের বালুর টেন্ডারের মেয়াদ শেষ এখনো হয়েছে কি না। জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।