
স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার গদার বাগ এলাকায় অবস্থিত ফিউচার মডেল স্কুলে বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী ও মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যানিটি`স ওয়ালস পাবলিক ওয়েলফেয়ার সোসাইটি পরিচালিত এই বিদ্যালয়ে বই বিতরণ উপলক্ষে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেন সংস্থার চেয়ারম্যান এম.এস.এ রেজা। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার মহাসচিব শহিদুল ইসলাম, ভাইস-চেয়ারম্যান ও স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সাবিরা সুলতানা সুমি, অর্থ-সচিব মোঃ আশিক মন্ডলসহ সংস্থার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান এম.এস.এ রেজা বলেন,
শিশুরাই আগামী দিনের জাতি গড়ার কারিগর। তাই তাদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। ফলাফলের পেছনে অন্ধভাবে না ছুটে মেধা ও নৈতিকতার চর্চা জরুরি।
তিনি আরও বলেন,
একজন শিক্ষার্থীকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষক ও অভিভাবক উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায়ই একজন শিক্ষার্থী তার মেধার বিকাশ ঘটিয়ে আগামীর নেতৃত্বের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে পারে।
সংস্থার মহাসচিব শহিদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন,
নতুন বছরে নতুন বই পাওয়া মানেই শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ ও মান দুটোই বৃদ্ধি পাওয়া। বছরের প্রথম দিনেই বই বিতরণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সরকারের উদ্যোগে তা কয়েক বছর ধরে সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
ভাইস-চেয়ারম্যান ও স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সাবিরা সুলতানা সুমি বলেন,
শিক্ষার্থীরা সময়মতো বই পাওয়ায় আমরা পাঠদান কার্যক্রম শুরু করতে পারছি। এতে পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে এবং শিক্ষার্থীরাও উৎসাহ পায়।
প্লে থেকে নবম শ্রেণির মোট ১২০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়। নতুন বই পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার ও তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসাইবা। তারা জানায়, বছরের শুরুতেই নতুন বই পেয়ে তারা খুব খুশি এবং মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী।
এ সময় অভিভাবকরাও সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বছরের প্রথম দিনেই বই পাওয়ায় শিশুদের পড়াশোনায় গতি আসে এবং সময় নষ্ট হয় না।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।