সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

চিলমারীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দেড় শতাধিক পরিবারের মাঝে ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৭৫ বার পঠিত

রুহুল আমিন রুকু,
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার করাই বরিশাল গ্রামে নদীভাঙনে ঘরবাড়ি ও বসতভিটা হারানো অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশন। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ (রবিবার) নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এর আগে চার দিন আগে ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধি দল করাই বরিশাল গ্রাম পরিদর্শন করে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেয়। এ সময় যেসব পরিবারের ঘরবাড়ি ও বসতভিটা সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে, তাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতেই আজ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

প্রতিটি পরিবারের জন্য বিতরণকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, আধা কেজি লবণ, আধা কেজি ভোজ্যতেল এবং ১ কেজি ময়দা।

খাদ্যসামগ্রী পেয়ে উপকারভোগীরা ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, নদীভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এমন কঠিন সময়ে এই সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য অনেক উপকারে এসেছে।

ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা জানান, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই তারা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ভবিষ্যতেও অসহায়, দরিদ্র ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নদীভাঙনের কারণে প্রতিবছর বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এগিয়ে আসা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অন্যান্য বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park