
মো: মাসুদ রানা,
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
ঝিনাইদহের আলোচিত মিশন আচার্য অবশেষে নিয়োগ পত্র হাতে পেয়েছেন । আজ বুধবার তার হাতে নিয়োগ পত্রটি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান । ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগানে মিশন আচার্যের নিজ বাড়ীতে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তার ও মা ময়না আচার্যের হাতে প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ পত্রটি তুলে দেওয়া হয় । ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫’-এ চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও স্থায়ী বসতভিটা না থাকার কারণে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চাকরিপ্রার্থী মিশন আচার্য নিয়োগপত্র হাতে পাননি। এ খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। অবশেষে রাশেদ খাঁন নিজে উদ্যোগী হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার দেন এবং মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল মজিদ, জেরা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনসহ এরাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ ।
এ সময় মিশন আচার্য সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে তার আগামী দিনের জন্য সবার কাছে দোয়া চান ।
মিশন আচার্যের মা ময়না আচার্য বলেন, এ অনুভুতি ব্যক্ত করার মতো না । যে কষ্ট করে তাকে আমি লেখাপড়া করিয়েছি সেই কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে ।
জেলা বিএনপি সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ বলেন, আমাদরে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ অর্জন সম্ভক হয়েছে ।
প্রদানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, একজন মেধাবী ছাত্র মিশন আচার্য । সে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষায় লিখিত ও ভাইভা দিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ১৭ তম হয়ে উত্তীর্ণ হয় । কিন্তু স্থায়ী ঠিকানা জটিলতায় তার নিয়োগ কার্ড আটকে যায় । তারপর আজকের দিনের মধ্যে দিয়ে সফল পরিসমাপ্তি হয়েছে । সবাই মিশনের জন্য দোয়া করবেন ।