
আরিফ বিল্লাহ।
নেছারাবাদ(পিরোজপুর)
বিএনপির চেয়ারপার্সন(ভারপ্রাপ্ত) তারেক রহমানের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ৫ আগস্টের পরেই আওয়ামী পুনর্বাসনের হিড়িক পরে সারাদেশে।নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে দেখা যায় ত্যাগী নিগৃহীত কর্মীদের অবমুল্যায়ন করে শুরু হয় আওয়ামী পুনর্বাসন।আওয়ামী নেতা কর্মীদের দেখা যায় সামনের সারিতে।সোহাগদল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড(বরছাকাঠী)
র মাস্টার মো: চান মিয়ার মেজ পুত্র যুবলীগনেতা আসাদুজ্জামান।বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে বিএনপি জামাত দমনে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন।আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার জন্মদিনে তার ছবির উপর প্রকাশ্যে মূত্র ত্যাগ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে আসাদের বিরুদ্ধে।২৪ এর গনঅভ্যুত্থানের পর তাকে দেখা যায়
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সাথে সামনের সারিতে।হাতে তুলে নেন বালু মহলের সিন্ডিকেট।বর্তমানে শালিস বানিজ্য হামলা মামলা ডকইয়ার্ডের চুরি সহ নানা অপকর্মের সাথে আসাদ জড়িত বলে জানান বরছাকাঠী এলাকার নির্যাতিত সাধারন বিএনপির কর্মীদের অনেকেই।গত ২৬ অক্টোবর নেছারাবাদ থানায় নিষিদ্ব ছাত্রলীগের মিছিলকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা হলে ১৯নাম্বার আসামী হিসেবে আসাদের নাম উল্লেখ করা হয়।আসাদের নাম মামলায় থাকার পরে উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয় নানা আলোচনা সমলোচনার।বর্তমানে আসাদকে দেখা যায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক প্রভাবশালী নেতা নাসির তালুকদার যুগ্ম আহবায়ক সোহাগদল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশি সোহেল রানা মৃধার সাথে সামনের সারীতে।ফ্যাসিস্ট আমলে রাস্ট্রের শতশত কোটি টাকা লোপাটকারী সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সুমন গা ঢাকা দিয়ে রাজধানীর মিরপুর ছাপড়া মসজিদ এলাকায় অবস্হান করলে তার ছোট ভাই যুবলীগ নেতা সাইফুল স্হানীয় বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় রয়েছেন টপ ফর্মে।উপজেলার ঠিকাদারী কাজের অধিকাংশই রয়েছে তার নিয়ন্ত্রনে।
নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির এক সিনিয়র নেতা জানান দীর্ঘ দিন ধরে কমিটি না থাকা এবং গ্রুপিং চলমান থাকার কারনে পতিত আওয়ামীলীগের দুষ্কৃতিকারীরা পুনর্বাসনের সুযোগ পাচ্ছে। আসাদের
নামে মামলা হওয়া পুনর্বাসিত বাকশালী দুষ্কৃতদের জন্য অসনি সংকেত।আত্মীয়তা বা অর্থের লোভ পরিহার করাই বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের জন্য শ্রেয়।