
মোঃ আরাফাত হোসেন জয়।
ঠিকাদারি লাইসেন্স বানিয়ে গড়েছেন কোটি টাকার সম্পদ, জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ইষ্টিমেটর আনোয়ার হোসেন সিকদার।
আনোয়ার হোসেন সিকদার কর্মরত জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এস্টিমেটর হিসেবে। একই পদে পদায়ন আছেন দীর্ঘদিন। দীর্ঘদিন একই পদে বহাল থাকার সুবাদে তিনি নিজের স্ত্রীর নামে বানিয়েছেন ঠিকাদারি লাইসেন্স। সরকারি কর্মচারী (আচরন) বিধিমালা লংঘন করে কামিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এস্টিমেটর আনোয়ার হোসেন সিকদারের জন্মস্থান বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। চাকরির সুবাদে দীর্ঘদিন বসবাস করেন ঢাকার মোহম্মদপুর এলাকায়। তথ্যে জানা যায় তিনি দীর্ঘ ষোল বছর মোহম্মদপুর শেখেরটেক এলাকায় বসবাস করেন। প্রথম জীবনে শেখেরটেক ২নং রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। বর্তমানে আল-হুদা এপার্টমেন্ট বাড়ি নং ৪০,রোড নং ১, শেখেরটেক আদাবর,নিজের কেনা ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। এস্টিমেটর আনোয়ার স্ত্রীর নামে বানানো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস ওহী ট্রেডার্সের নামে কোটি টাকার টেন্ডার বাগিয়ে নিয়ে, কাজ না করে কামিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। অর্থনৈতিকভাবে হয়েছেন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। বঞ্চিত হচ্ছেন অন্যান্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রতিবেদককে জানান এস্টিমেটর আনোয়ার চাকরির সুবাদে ঘুষ বানিজ্য, স্ত্রীর নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বানিয়ে কোটি টাকা লোপাট করে যাচ্ছেন অনৈতিক ভাবে। ৪-৫ বছর আগেও যিনি সিএনজি এবং রিকশায় চলাচল করতেন বর্তমানে লাল রঙের একটি প্রাইভেট গাড়িতে চলাচল করেন। সরকারি কর্মচারী (আচরন) বিধি ১৯৭৯বিধি ২৭বি অনুযায়ী কোনো কর্মচারী এইসব কাজের সাথে জড়িত থাকলে তা অসদচরণ বলে গণ্য হবে। সূত্রে আরো উঠে আসে আনোয়ার হোসেন সিকদার জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একজন প্রভাবশালী ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ার। নিজের মন মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ পাইয়ে দেয়া ও কাজ শেষ না করে অবৈধ ভাবে টাকা উত্তোলন করার অভিযোগ উঠে আসে তদন্তে। এ বিষয়ে প্রতিবেদক সুপ্রিম কোর্টের একজন বিজ্ঞ আইনজীবির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিধি /বিধান এবং আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগন জেনেশুনে যে অন্যায় করছেন তার বিচার হওয়া উচিত। অভিযোগের বিষয় এস্টিমেটর আনোয়ার হোসেন সিকদারের অফিসে গেলে সংবাদ কর্মীদের বসিয়ে রাখেন এবং আরেকজন সংবাদ কর্মী ডেকে এনে জিজ্ঞাসা করেন আপনাদের লোক চিনেন। সর্বশেষ উনার স্ত্রীর নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস ওহী ট্রেডার্সের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার সম্পর্কে কতটুকু জানেন, আপনারা যান প্রয়োজনে পরে ডেকে নিবো।