সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সালথায় পোস্টার টানানো নিয়ে কোকো স্মৃতি সংসদের নেতাকে মারধরের অভিযোগ কুমিল্লায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যা: ৭ দিনের রিমান্ডে ২ যুবক পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা সজাগ পুলিশ:কুমিল্লায় চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি দাউদকান্দিতে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, পরোয়ানাভুক্ত আরও ২ ফরিদপুর সালথায় যুবদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ মিছিল সিরাজগঞ্জের ৫৫১ পূজামণ্ডপে ৫৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ ব্রাহ্মণপাড়ার ১৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী হাসান ডাকাত চান্দিনা থেকে গ্রেপ্তার ১১ মাস আগে পুলিশ সুপারকে প্রাণনাশের শঙ্কা জানিয়েছিলেন সাংবাদিক আলিফ, তবুও রক্ষা পেলেন না তমরুদ্দি ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন পার্বতীপুরে শারদীয় দুর্গোৎসবে প্রীতি ও উষ্ণ শুভেচ্ছায় এমপি এ জেড এম রেজওয়ান হক

সালথায় পোস্টার টানানো নিয়ে কোকো স্মৃতি সংসদের নেতাকে মারধরের অভিযোগ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১১৯ বার পঠিত

‎নিজস্ব প্রতিবেদক:

‎ফরিদপুরের সালথায় পোস্টার ও ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের এক নেতাকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে সালথা থানার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম (৫১)।
‎
‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম গট্টি ইউনিয়নের আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক। বিভিন্ন স্থানে তাঁর নামের পোস্টার ও ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে তাঁকে গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে তাঁর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও করেন তিনি।
‎
‎লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার খদ্দ লক্ষণদিয়া ঈদগাহের সামনের পাকা রাস্তায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করা হয়। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নজরুল ইসলাম।
‎
‎অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়েছেন। ঘটনার ভিডিও তাঁর মুঠোফোনে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় সাক্ষী হিসেবে স্থানীয় দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন নজরুল ইসলাম।
‎
‎অভিযোগে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন আলী হাসান খন্দকার (২২), টুটুল খন্দকার (৩৫), সাবুর খন্দকার (৩২), শহিদ খন্দকার (৪৫), মিজানুর খন্দকার (৪৮) ও ইকবাল খন্দকার (৩৪)। তাঁদের সবার বাড়ি উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের খদ্দ লক্ষণদিয়া এলাকায় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
‎
‎নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি পুলিশের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
‎‎তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park