
আকাশ চৌধুরী
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পাটুরিয়া ফেরিঘাট দিয়ে যাতে যাত্রী ও যানবাহন নির্বিঘ্নে পারাপার হতে পারে- এ লক্ষ্যে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এবারের ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ও থ্রট পার্টির খপ্পরে না পড়েন এজন্য মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ নজরদারি থাকবে বলে জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ গোলাম আজাদ খান।
রবিবার (৯-ই এপ্রিল) বিকাল ৩ ঘটিকায় পাটুরিয়া-আরিচা ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেন। পরে পাটুরিয়া ঘাটস্থ পদ্মা রিভারভিউ রিসোর্টে জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ গোলাম আজাদ খানের সভাপতিত্বে সড়ক, নৌ-পথে যানজট নিরসন, যাত্রী ও যানবাহন দ্রুত পারাপার ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ।
মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের পারাপার ও নিরাপত্তায় মানিকগঞ্জের ঢাকা আরিচা মহাসড়ক ও পাটুরিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাট এলাকায় পুলিশের সাতটি টিম একযোগে কাজ করবে। পাশাপাশি ধরেদিন নামে ইনিফর্ম পরা পুলিশ থাকবে পাটুরিয়া ঘাটে।
আরিচা ফেরি সেক্টরের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) শাহ মোহাম্মদ খালেদ নেওয়াজ জানান, এবারে পাটুরিয়া–দৌলতদিয়া রুটে ঈদের আগে পরবর্তী সময়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ২০টি ফেরি সার্বক্ষণিক থাকবে। এছাড়া আরিচা-কাজিরহাট রুটে পৃথক আরও সাতটি ফেরি চলাচল করবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহসিন মৃধা, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) সুজন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) ইমতিয়াজ মাহবুব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসবি নুরজাহান লাবনী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিবালয় সার্কেল, মারুফা নাজনীন, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের নেতা ও শিবালয় থানা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহিম খান, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাহিদুর, শিবালয় থানা অফিসার ইনচার্জ শাহ নুর এ আলম, শিবালয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম মিরাজ হোসেন লালন ফকির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুনা আকতার, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউ টিএ, ইউপি চেয়ারম্যান, বিভিন্ন দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাব ও শিবালয় প্রেসক্লাবের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।