
বিশেষ প্রতিনিধি:
মৃত পরিচয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা নারী পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআইয়ের যশোর জেলা শাখা। এ সময় তারা জাসটিস অ্যান্ড কেয়ারের সহায়তায় ভারত থেকে পাচারের শিকার নারীকে উদ্ধার করেছে। গত ৯ এপ্রিল তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, গত ৯ এপ্রিল রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে ঝিনাইদহ সদর থানার সুরাট পূর্বপাড়া এলাকা থেকে আসামি মো. মজনু বিশ্বাস (৪৪) ও তার স্ত্রী মোছা. মাজেদা খাতুনকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
তারা আফসানা মিমি নামে এক নারীকে ভারতে পাচার করে পতিতাবৃত্তি করানোর জন্য।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মজনু বিশ্বাস ও মাজেদা খাতুন আফসানা মিমির সাথে প্রথমে সখ্যতা গড়ে তোলে। একপর্যায়ে তারা আফসানা মিমিকে ভারতে পাচার করে পতিতাবৃত্তি করানোর জন্য পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা ভারতে নিয়ে ভালো বেতনে চাকরির কথা বলে ২০২২ সালের ১৭ মে বাসা থেকে মিমিকে বের করে নিয়ে যায় এবং অবৈধভাবে চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করে সুরাটে নিয়া যায়।
সেখানে মজনুর চাচাতো শ্যালক সোহাগ সরদারের কাছে আফসানা মিমিকে হস্তান্তর করে। সে তাকে পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে বিক্রয় করে দেয়। আফসানা ধীরে ধীরে বিষয়টি বুঝতে পেরে চলে আসার চেষ্টা করে, কিন্তু আসামিরা তাকে খুনের হুমকি দিয়ে আটকে রাখে। সেখানে সোহাগ সরদার ও তার স্ত্রী মিম বেগম ওরফে জয়া ওরফে রিয়া বিভিন্নভাবে আফসানা মিমিকে ব্যবহার করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা আদালতে মামলা করে; যা পিবিআই, যশোর জেলা শাখায় তদন্তাধীন। পিবিআই গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভিকটিম ভারত থেকে উদ্ধার করে।
মামলাটি তদন্তকালে জানা যায়, আসামী মজনু বিশ্বাস এবং মাজেদা খাতুন সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। তাদের বাড়ি নড়াইলে। তদন্তকালে তারা মৃত বলে জানা যায়। এমনকি আসামি মজনু মৃত মর্মে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্রও রয়েছে। ক