
আফরোজা খাতুন,
বিশেষ প্রতিনিধি,
পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের কারণে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে রূপপুর প্রকল্পের গাড়িচালক সম্রাট হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে। ’র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার সম্রাট হত্যা মামলার প্রধান আসামি সম্রাটের বন্ধু আব্দুল মমিন (৩২) প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমনই তথ্য জানিয়েছেন। তবে, কিভাবে, কোনো পরিকল্পনায়, কাদের সাহায্যে সম্রাটকে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি র্যাব।
রোববার (২৬ মার্চ) রাতে ঢাকার হাতিরঝিল থানার বাংলামোটর এলাকা থেকে মমিনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত মমিন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বাঁশেরবাদা মধ্যপাড়া (দোকানপাড়া) গ্রামের বাহাদুর খাঁর ছেলে। নিহত সম্রাট একই উপজেলার মধ্য অরনকোলা রিফুজি কলোনী এলাকার আবু বক্কার সিদ্দিকের ছেলে।
এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট দুইজন আসামি গ্রেপ্তার হলো। এর আগে মমিনের স্ত্রী সীমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মারুফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় শনিবার রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সম্রাটের বন্ধু মমিনকে এক নাম্বার ও তার স্ত্রী সীমাকে দুই নাম্বার আসামিসহ আরও ৩ থেকে ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামি মমিন আত্মগোপনে চলে যায়। পলাতক এজাহার নামীয় আসামি মমিনকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে র্যাব উদ্যোগি হয়ে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের একটি দল, র্যাব-৩ এর সহযোগিতায় ঢাকার হাতিরঝিল থানার বাংলামোটর এলাকায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মমিনকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মারুফ হোসেন আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মমিনকে আমরা সোমবার ঈশ্বরদী থানায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে। তারপর আইনগত প্রক্রিয়া তারা গ্রহণ করবে।