
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠি
ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বানারীপাড়া থানায় পিতা ও পুত্রের বিরুদ্ধে, দুলাল বালীর ভাই, আউয়ার নিবাসী জিয়াউর রহমান সাধারন ডায়েরী করেন।
অভিযোগে জিয়াউর রহমান জানায় উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান বালীর কুলাঙ্গার সন্তান, দুলাল বালী ও দুলাল বালীর ছেলে রাজিব বালী গংদের সাথে জিয়াউর রহমানের জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল দীর্ঘদিন যাবত ধরে।
সেই সূত্র ধরে একে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। জিয়াউর রহমান ও তার ফ্যামিলি হুমকির মুখে আছেন।
বাদীর দাবীর তার নিজ নামীয় রেকর্ডকৃত ৫ শতাংশ জমি বিবাদী গং ভোগ দখল করে রেখেছে। সেই বিরোধের জের ধরে গত ২৮ মার্চ বিকালে দুলাল বালী ও তার ছেলে রাজীব বালীর সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বিবাদীরা জিয়াউর রহমানকে ভয়ভীতি দেখায়।
এমন কি নানাবিধ ক্ষতি সাধন করাসহ খুন যখমের হুমকি দেয়। জীবন নিরাপত্ত্বার জন্য জিয়াউর রহমান সম্প্রতি বাদী হয়ে বানারীপাড়া থানায় সাধারন ডায়েরী করেন ডায়রী নং ১২২৬।
উল্লেখ্য কিছু দিন পূর্বে এই দুলাল বালী তার বাবাকে ও খুন যখমের হুমকি দিলে বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান বালী বলেন আমাকে মাঝে মাঝে হুমকি দেয় আমাকে বালিশ চাপা দিয়ে মারবে বলে অনেক কিছু বলেন। রাতের বেলা মসজিদে নামাজ শেষ করে বাড়ি আসার সময় আমাকে রাস্তায় পেয়ে গলা চেপে ধরে বলেন তোকে মেরে ফেলবো আমার কথা না শুনলে, সে বলেন সে আমার ছেলে না কুলাঙ্গার ছেলে সে আমাকে মারার জন্য একের পর এক কৌশলম্বন করেন। আমি এক পর্যায় দিশেহারা হয়ে বাদী হয়ে বানারীপাড়া থানায় জীবন নিরাপত্ত্বা চেয়ে সাধারন ডায়েরী করেন যার নং ১২২৫।
এদিকে এলাকাবাসী সূত্রের আরো জানতে পারা যায়,
এই দুলাল বালী এক সময় সর্বহারা পার্টির অন্যতম সদস্য ছিলেন, এন কাউন্টারে নিহত সর্বহারা নেতা রিপনের সেকেন্ড ইন কমান্ড। আউয়ার শেখ বাড়ির জামে মসজিদ এর মাইক চুরি করে নিয়ে জান ,এটা উক্ত এলাকার সবাই জানে। পরবর্তী তে টাকা দিয়ে আপশ মীমাংসা করেন লোকজন কে নিয়ে । দুলাল বালী মেয়েদেরকে নিয়ে অশ্লীলতা এবং খারাপ কাজে থাকা সত্ত্বে তার বড় স্ত্রী জেসমিন বেগম নিরুপায় হয়ে তার লিঙ্গ কর্তন করেন, কারন এলাকায় একাধিক মেয়ের সাথে সম্পর্ক করার কারণে। শুধু তাই নয় স্কুল পড়ুয়া মেয়েদের সাথে খারাপ আচরণ করতেন। লোভ লালসা দেখিয়ে এক পর্যায়ে তাদেরকে যৌন হয়রানি করেন এবং এলাকাবাসীর হাতে মার খান। তার আপন বোন ফাতিমা বেগম দুলাভাই রহিম মাস্টারকে মারধর করেন। রক্তের সাথে সে বেইমানি তার একটি নেশার পেশা,তার ফুপাত ভাই শাহআলম বালি কে মারধর করে। এলাকায় শালিশ করে দুই পক্ষের কাছ থেকে টাকা নেয়। এদিকে আবার রাজনীতি নিয়ে তার একটি মহড়া ব্যবসা চালিয়ে যান শুধু তাই না তার একটি পেশা ছিল বিএনপি এবং জামাত শিবির উস্কানি কথাবার্তা সাথে জড়িত থাকতেন আওয়ামী লীগের বিপক্ষে । যে দল আসে সে দলে আবার রাজনৈতিক দল যেটা ক্ষমতায় থাকে সেটাই জয়েন করেন সেদিকে ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে অপকর্ম বেড়েই চলছে। এদিকে আবার ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করে আউয়ার জামে মসজিদ এর টাকা আত্মসাৎ করে কমিটির লোকজন দের কাছে জানা জায় কমিটির লোকজন তাকে অনাস্থা দিয়েছেন । দুলাল বালী জন্মদাতা পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসান বালিকে মারধর করেন এটা নিয়ে এলাকাবাসীর নিন্দা জানান , এলাকাবাসী বলেন সে একটা খারাপ প্রকৃতির লোক সে শুধু কুলাঙ্গার না কুকুরের চেয়েও খারাপ এবং এদিকে অর্থ সম্পদ আত্মসাৎ করার জন্য পায়তারা করে বেড়াচ্ছে তাহার সৎ ভাই জিয়া বালী কে মারধর করে তার বুকে চাপাড়ী দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করেন তা চাকুর আঘাতে বুকে এখনো প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করেন।
দুলাল বালী একটি ব্যবসা ছিল ডাকাতি করার সময় ,বাইশারী জনতার হাতে আটক হয়েছে বানারীপাড়া থানায় মামলা হয়। অনেক দিন জেল হাজতে ছিল।
এক পর্যায়ে জিয়াউর রহমান দিশেহারা হয়ে থানায় জিডি করা হয়।এবং তাহার সম্পত্তি জোর পূবক ভোগ দখল করে। এক পর্যায়ে জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে কোর্টে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন ।
সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে প্রশ্ন করলে তারা বলেন দুলাল বালী ও তার ছেলে রাজীব সহ বাপ বেটা দুশ্চরিত্র লম্পট, তাদের অত্যাচার বাবারসহ তারা নির্যাতিত শুধু তাই নয় এলাকার অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন, তাদের ইশারা সব কিছু হয়।
তার সাথে নাকি বড় বড় লোকের হাত রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি পুরো ঘটনার সুস্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসন দ্রুত ব্যাবস্থা গ্রহণ করে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক।