
মোঃ হেলাল উদ্দিন,স্টাফ রিপোর্টার:
গাজীপুরে স্ত্রী নূরী আক্তারকে (১৮) শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ইসমাইল হোসেনের (২৫) বিরুদ্ধে। বুধবার (১০ মে) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (১১ মে) সকালে গাজীপুর মহানগরীর পশ্চিম ভুরুলিয়া এলাকা থেকে পুলিশ ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে।
নূরী আক্তার কুড়িগ্রামের মুন্সিপাড়া (মরাকাটা) গ্রামের নূরুল ইসলামের মেয়ে। স্বামী নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার মধুপুর গ্রামের আব্দুর রব মিয়ার ছেলে ইসমাইল হোসেন। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি’র) সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতৃা (ওসি) জিয়াউল ইসলাম নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানান, ইসমাইল তার স্ত্রী নূরীকে নিয়ে মহানগরীর পশ্চিম ভুরুলিয়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। ইসমাইল ওই এলাকার স্থানীয় একটি হোটেলে কাজ করেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে গত কয়েকদিন যাবত ঝগড়া চলছে।
বৃহস্পতিবার (১১ মে) সকাল হয়ে গেলেও নূরী আক্তার ঘুম থেকে না উঠলে আশপাশের ঘরের ভাড়াটিয়া বাসিন্দারা তাকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তারা নূরী আক্তারের ঘরের দরজায় ধাক্কা দিলে খুলে যায়। পরে তারা খাটের ওপর নূরীর লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।
পুলিশ লাশ উদ্ধার উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে সে তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে থাকতে পারে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ইসমাইল পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
পুলিশ লাশ উদ্ধার উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে সে তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে থাকতে পারে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ইসমাইল পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।