সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

ডোমার বিএডিসি খামারে ৩শ একর জমিতে আউশ ধানের বীজ চাষ

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  • ৯৪ বার পঠিত

মোঃ আল-আমিন ইসলাম
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

নীলফামারীর বিএডিসির ডোমার ভিত্তি বীজআলু উৎপাদনের খামারের পতিত জমিতে উৎপাদন হয়েছে আউশ ধানের বীজ। শুধুমাত্র বীজআলু উৎপাদনের ওই খামারটি ৩০০ একর জমিতে আবাদ করেছে আউশ ধান। যা থেকে ৪০০ টন ভিত্তি ধান বীজ উৎপাদনের আশা করছেন কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওই পরিমাণ বীজ দিয়ে আউশ আবাদ করা যাবে ৪০ হাজার একর জমি। এছাড়াও বীজ ধান পাওয়া যাবে ৬০ থেকে ৭০ টন। যার বাজার মূল্য ২ কোটি টাকার ওপরে। ভিত্তি বীজআলু উৎপাদনের জন্য ৬৫০ একর জমিতে বিএডিসির বিশেষায়িত খামার এটি। প্রতিবছর আলু আবাদের পর সীমিত আকারে গম চাষ হতো। এরপর দীর্ঘ একটি সময় এসব জমি পতিত থাকতো। তবে গত দুই বছর ধরে পতিত জমি গুলোতে আউশের ভিত্তি বীজ উৎপাদনে কয়েক জাতের ধানের আবাদ করা হচ্ছে। এতে করে অলস পড়ে থাকা এসব জমির আবাদ একদিকে খরা সহিষ্ণু আউশ ধান বীজের সংকট কাটাচ্ছে, অন্যদিকে বোরো আমন মৌসুমের মধ্যবর্তী সময়ে কর্মহীন থাকা কৃষিক শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তাছাড়া খামারে অসময়ে একটি ফসল উৎপাদনে বাড়তি আয় আসছে।
খামারের সহকারী পরিচালক সুব্রত মজুমদার বলেন, আগে খামারে জমিতে বছরে দুইটা ফসল হতো। একটি হলো ভিত্তি বীজআলু, অপরটি গম। এখন আউশ বীজ ধান আবাদ শুরু হওয়ায় বছরে তিনটি ফসল উৎপাদন হচ্ছে। বর্তমানে জমির পাকা ধান কাটা-মাড়াই চলছে।
খামারের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবু তালেব মিঞা বলেন, খামারে এক নাগাড়ে বীজআলু চাষ করায় রোগ নানা রোগব্যধি বাড়ছে। আউশ আবাদের পর ওই জমিতে আলু চাষ করলে ব্যাকটেরিয়া জাতীয় রোগ-বালাই কমবে। পাশাপাশি মানসম্মত আউশ বীজের সংকট কাটবে। ২০২০-২১ আউশ ধান উৎপাদন মৌসুমে একেবারে পতিত পড়ে থাকা ১৮৭ একর জমিতে পরবর্তীতে ২০২১ সালে উৎপাদন মৌসুমে ২৪০ একর ও ২০২২ সালে উৎপাদন মৌসুমে (ব্রিধান-৯৮) জাতের ২৫৫ একর জমিতে আউশ ধান বীজ উৎপাদন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। বর্তমানে চলতি আউশ উৎপাদন মৌসুমে ৩০০ একর জমিতে (ব্রি ধান-৯৮) জাতের ধান বীজ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আউশ ধানের উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এপ্রিল মাসের ১৫ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে চারা রোপণের পর থেকে মাত্র ৮০ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ করা যায়। অর্থ্যাৎ ধান থেকে ধান উৎপাদনের মোট সময় লাগে ১০৩ থেকে ১০৫ দিন। বর্তমানে কৃষক পর্যায়ে রবি মৌসুমে অন্যতম লাভজনক শস্য ভুট্টা। ভুট্টা চাষের পরে আমন রোপণের পূর্ব পর্যন্ত জমি পতিত পড়ে থাকে। যা আউশ ধান আবাদের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে। এসময় জমি পতিত না রেখে মাত্র ৮০ দিনের ব্যবধানে আউশ চাষ করে প্রতি বিঘায় ১৫ থেকে ১৭ মণ ধান উৎপাদনের পরে স্বল্প মেয়াদে আমন ধানসহ আলু উৎপাদনে সম্ভব। চলতি আউশ মৌসুমের উক্ত খামারের ৩০০ একর জমির ধান উৎপাদন কার্যক্রম শতভাগ যান্ত্রিককরণের মাধ্যম বর্তমানে কম্পাইন হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান বীজ ফসল সংগ্রহ করে দানা শস্য গ্রেডিং মেশিন দ্বারা ধানবীজ গ্রেডিং করে ধান সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়াও বীজ ধান পাওয়া যাবে ৬০ থেকে ৭০ টন। প্রতিটন বীজ ধানের মূল্য ৫০ হাজার টাকা হিসাবে যার বিক্রয় মূল্য ২ কোটি টাকার ওপরে। অসময়ে ধান আবাদে এলাকার দুই থেকে ৩০০ শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park