সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

শীতলক্ষ্যা নদী থেকে বালি বিক্রি বন্ধের দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে।

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৭৬ বার পঠিত

মোঃ হেলাল উদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার:

মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা,বাজার ব্যবসায়ী, মসজিদ কমিটির মুসুল্লি, ইউনিয়ন পরিষদের ও তফসিল অফিসসহ এলাকার  দুই শতাধিক মানুষ অংশ গ্রহণ করেছে।

আজ শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টায় কাপাসিয়া উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নদীর তীরে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

বক্তারা বলেন, শীতলক্ষ্যা নদীর কাপাসিয়ার শতবর্ষী ঐতিহাসিক ধাঁধার চর ও রানীগন্জ বাজারসহ আশপাশের এলাকা থেকে বালি  নিলে গেলে এলাকার বাড়ী ঘর ভেংগে যাবে। এ বালি কেটে নেওয়া হলে অনেক সমস্যা হবে। এই জায়গায় বালি না থাকলে এক সময় বাজারসহ আশপাশের সব স্থাপনা ভেংগে যাবে।

নদীর তীরবর্তীর বাড়ি গাও গ্রামের বাসিন্দা
শরীফ ফকির বলেন, বালি কাটা চলবেনা, চলবেনা চলবেনা।  ইউনিয়ন পরিষদ বাঁচাতে হবে,বাঁচাতে হবে। দোকান পাঠ বাঁচাতে হবে,বাঁচাতে হবে।আামাদের নদী বাঁচাতে হবে,বাঁচাতে হবে। বাজার বাঁচাতে, বাঁচাতে হবে। মসজিদ বাঁচাতে হবে, বাঁচাতে হবে।  তফসিল অফিস বাঁচাতে হবে, বাঁচাতে হবে।

তিনি বলেন, একটি কুচক্রী মহল শতবর্ষী ঐতিহাসিক রানীগন্জ বাজারসহ নদী থেকে বালি কাটার পায়তারা করছে। আমার খবর পাইছি, এই বালি কাটতে আসবে। আমি বলবো, বালি বিক্রি করতে হবে কিনা, তা আগে দেখে যেতে হবে।

বাজার ব্যবসায়ী সোলায়মান মোল্লা বলেন, এই খানে একটা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এই বালি কেটে এ পরিবেশ নষ্ট করা যাবে না।

রানীগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ ইমাম বলেন আজিজুল ইসলাম বলেন, এই খেয়া ঘাটের এতিয্য আমাদের ঠিক রাখতে হবে। সুস্পষ্ট ভাবে জানতে পারছি, এই খেয়াঘাটের বালি কেটে নেওয়া হবে। আমরা বালি চড়ে রক্ত দিব কিন্তু বালি নিতে দিবনা।

বাজার ব্যবসায়ী নুরুল হক বলেন, ভাওয়ালের রানীর নামে রানীগঞ্জ।  আর এই রানী গন্জ বাজার খেয়াঘাট থেকে বালি বিক্রি হবো তা হতে দিবনা। এটা বিক্রির ব্যবস্থা করলেও আমরা জীবন দিব। শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষায় বালি নিতে দিবনা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বলেন, এটা মুক্তি যোদ্ধাদের জন্য ছিলো। পরে সরকার মনে করেছে ভাংগন রক্ষায় এই জায়গায় বালি উঠাইছে। আমরা বাজার ও আশপাশের স্থাপনা রক্ষায় এখানে সরকারের কাজের জন্য সরকারকে এটা দিয়েছিলাম। এখন এই খান থেকে বালি নিয়ে গেলে সব ভেংগে যাবে। এটা আমরা হতে দিবনা।

কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার একে এম লুৎফর রহমান জানান, শীতলক্ষ্যা নদীর এই খেয়াঘাট থেকে উত্তোলিত মাটি/ বালি বিক্রির বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে বিক্রয় সংক্রান্ত নিলাম কমিটির সভা হবে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park