
মোঃ মাসুদ রানা, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে রাস্তার নির্মাণের কাজে ঠিকাদারের গাফলতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে পথচারী ও এলাকাবাসিরা। উপজেলার ত্রিলোাচনপুর ইউনিয়নের
লাউতলা থেকে বালিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার রাস্তার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। আম্ফান প্রকল্পের আওতায় ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বাজটের
রাস্তাটি প্রায় তিন মাস আগে খুড়ে ফেলে রাখা হয়। বিশেষ করে বড় ঘিঘাটি গ্রামের মধ্যে একটি ব্রীজ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। চলাচলের জন্য পার্শ্ব রাস্তা করা
হলেও তা চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী। খুড়ে ফেলা এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কালীগঞ্জ ও যশোরের চৌগাছা উপজেলার প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামের হাজার
হাজার মানুষ চলাচল করে। ওই সড়কেই রয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাাসাসহ প্রায় ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ওই রাস্তা ধরে প্রতিদিন শত শত
শিক্ষার্থী চলাচল করে থাকে। কিন্তু দির্ঘদিন খুড়ে রাখায় এখন জন ভোগান্তি চরমে উঠেছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম হওয়া আরো বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে ঐ রাস্তায় চলাচলকারীরা। কাজের ধীর গতিতে ফুঁসে উঠছে ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসি। দ্রুত রাস্তার কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ঘিঘাটি গ্রামের বাসিন্দা দুরুদ আলী জানান, প্রায় তিন মাস আগে রাস্তাটি নির্মানের জন্য খুড়ে ফেলে। কিন্তু দির্ঘদিন পার হলে কাজের কোন অগ্রগতি নেই। বিশেষ করে এসময় ঘন ঘন বৃষ্টি হওয়ায় বেশি দুর্ভোগে পড়েছে
চলাচলাকারীরা। ব্রীজের অজুহাতে আড়াই কিলোমিটার রাাস্তার কাজ ফেলে রেখে জনগণের ভোগান্তি দেওয়া উচিৎ নয় বলেও জানান এ অধিবাসি।
ওই রাস্তায় চলাচলকারী ভ্যান চালন মসলেম উদ্দীন, দির্ঘদিন ধরে রাস্তাটি খুড়ে রাখা হয়েছে কিন্তু কাজ করছে না। আমাদের গাড়ি চালাতে খুব সমস্যা হচ্ছে। প্রায়ই ছোাটখাটো দূর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে চলাচলকারীরা।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মাহবুব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী কাজী মাহবুবুর রহমান রুনু জানান, কাজ শুরু করার সময় এলাকাবাসি জানায় ব্রীজটি ছোট হয়ে গেছে। তাদের দাবি ব্রীজটি বড় করতে হবে। বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর থেকে প্রধান কার্যালয়ে অনুমতির জন্য পাঠানো হয়েছে। যে কারনে কাজ করতে একটু দেরি হচ্ছে বলে যোগ করেন।
কালীগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির সহকারি প্রকৌশলী আজিজ হোসেন জানান,স্থানীয় অধিবাসীদের দাবীর প্রেক্ষিতে একটি ব্রীজ বড় করার অনুমতি চেয়ে
কাগজপত্র ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। যে কারনে কাজে একটু দেরি হচ্ছে। ব্রীজের অনুমোতি পেলেই কাজ শুরু হবে।