
বিশেষ প্রতিনিধি
গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জনের অধীন কাবারদহ ইউনিয়নের চামারগাছা পার্বতীপুর গ্রামের নতুন বাজারে মোফাজ্জলর হোসেনের পুত্র ওমর ফারুক একটি দোকানে সংযোগ নিয়ে ব্যবসা করে আসছিল।
তার নিজস্ব অন্য তিনটি কাঁচামাল এর দোকানে একটি করে বাল্ব জ্বালিয়ে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন বলে এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।।
এ বিষয়ে তিনি আরো জানান নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসার একপর্যায়ে এক মাসে 10000 এবং চলতি মাসে ৭০০০// দুই মাসে মোট ১৭ হাজার টাকার বিল করেছে।
এলাকাবাসী জানান চামরগাছা পার্বতীপুরের মিটার রিডার সাইফুল ইসলাম অনৈতিকভাবে প্রতিটি মিটার দাড়ির কাছ থেকে বিগত কোরবানির ঈদের পূর্বে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করার জন্য চাপ দিলে ভুক্তভোগী জনগণের পক্ষে উক্ত ওমর ফারুক সাইফুল ইসলামকে চার্জ করে এবং জানতে চায় এই ৫০০ টাকা কিসের জন্য আদায় করা হবে তখন তিনি বলেন এটা তার ইচ্ছা যে দেবে তার ভালো আর যে দেবে না তার পরিণাম খারাপ হবে।
বিষয়টি এলাকাবাসীর পক্ষে প্রতিবাদী মোফাজ্জলের পুত্র ওমর ফারুক জোরালো প্রতিবাদ করলে মিটার রিডার পরিচয় দানকারী ঘুষখোর ছয়ফুল কবিরাজ ওমর ফারুক কে দেখে নেওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছেন বলেও এই প্রতিনিধি জানতে পেরেছেন।
বিষয়টি গোবিন্দগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনের ডিজিএম মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে নিদর্শন করা হবে এবং ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায় সঙ্গত বিদ্যুৎ বিল করা হবে এবং অতিরিক্ত বিল কর্তনের সুব্যবস্থা করতে তিনি আশ্বস্ত করেন।
তিনি সুধীজন এবং সাংবাদিকদের সম্মুখীন বলেন ওমর ফারুক সাহেব যেন একটি মিটার পরিবর্তনের জন্য আবেদন দেন এবং নতুন সংযোগের জন্য আবেদন করেন সব সমস্যা সমাধানের জন্য আমি তো আছি।
কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভুক্তভোগী প্রতিবাদকারী অমর ফারুকের মিটারের বিল ১০ থেকে ২০ গুণ বৃদ্ধিতে কোষেছে বলে ওমর ফারুক এবং এলাকাবাসী সাংবাদিক প্রতিনিধিকে জানিয়েছে এবং অভিযোগ তুলেছেন।
বিষয়টি বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকার সুধীজন।