
মোঃ আল আমিন ইসলাম
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার পশ্চিম শিমুলবাড়ী পাটোয়ারী পাড়া
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বেহাল দশা। এ জানো হাঁস পালনের খামার করে রেখেছেন বিদ্যালয়টি। সরকারি বেতনভুক্ত হলেও বিদ্যালয়ে নেই বিদ্যুৎ পাখা, নেই কোন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বই দ্বারা বাতাস করে গায়ে। এভাবেই চলতেছে পশ্চিম শিমুলবাড়ি পাটোয়ারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাঁচজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও সেখানে পাওয়া যায়নি তাদের তিনজন শিক্ষক দ্বারা চলছে এই ক্লাস। হেডমাস্টার মোঃ ইয়াহিয়া খান বলেন আজকে আমি চলে এসেছি। কিন্তু এ বিষয়ে অবগত নেই কেউ জানে না কেউ তিনি তার মন মতো করে স্কুল পরিচালনা করেন বলেন এলাকাবাসী।
এভাবেই চলতে থাকলে শিক্ষার্থীরা কি লেখাপড়া করবে না গায়ে বাতাস করবে বলে থেকেই যায় কথা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হেডমাস্টার নেতৃত্বে চারজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও সেখানে পাওয়া যায়নি যায়নি হেডমাস্টার ও সহকারী এক শিক্ষিকাকে। ঘটনাস্থলে পাওয়া যায় যে তিনজন । মোছাঃ আকতারা বেগম ,(৪০) মোছাঃ বিউটি আক্তার (৪৩) মোছাঃ রেজিনা বেগম (৩৮)
এ বিষয়ে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি বলেন যে আমাদের নলেজে এটা আছে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করতেছি বলে জানান। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার যেখানে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করতেছে, শিক্ষার মান কে এগিয়ে নোয়ার লক্ষ্যে। সেখানে করুণ দসায় ভুগতেছে পশ্চিম শিমুলবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীরা। আর আনন্দে ফায়দা লড়তেছে শিক্ষকরা।
এলাকাবাসীরা জানান এভাবেই চলতে থাকলে এই স্কুলটি কিছুদিনের ভেতর নষ্ট হয়ে যাবে বর্ষ হয়ে যাবে। আমাদের বাচ্চাদের সুশিক্ষিত আমরা করতে পারবোনা। যে সময়ের ভেতর স্কুলটি খোলা থাকে সেই সময়ের ভেতরেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের নানান অভিযোগ।
এই পরিবেশে বাচ্চা দিতে অনিহা অভিভাবকদের।