
মোঃ শফিকুল ইসলাম
ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি:
ঝালকাঠির কিনয়কাঠি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি দেওয়া হবে এমন খবরটি শুনে সকল নেতা কর্মীরা নড়ে চড়ে বসেছেন। দীর্ঘদিন ইউনিয়ন কমিটি না থাকায় নড়বরে অবস্থায় পড়েছিল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তবে ১৮ই সেপ্টেম্বর ডাকা হয়েছে কর্মী সমাবেশ। জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগ জানিয়েছে এটাই তাদের সম্মেলন এরপরেই নির্ধারণ হবে কে হবে সভাপতি আর কে হবে সাধারণ সম্পাদক। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী নেই। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী করবে তিনজন প্রার্থী বাপ্পি, আবির ও অন্তর।
বাপ্পি ছাত্রলীগের একজন কর্মী, কাজী সাইফুল ইসলাম বাপ্পী কে হাত ধরে নিয়ে আসছিল ছাত্রলীগের কমিটিতে, পদ দিয়েছিল সাংগঠনিক সম্পাদক। এরপর থেকেই সক্রিয়ভাবে রাজনীতি ও ছাত্রলীগের সাথে জড়িত। সেই কমিটি বিলুপ্ত হলেও বাপ্পি তার নিজের অবস্থান ধরে রাখার জন্য ছাত্রলীগকে সুঠাংগঠিত ভাবে ধরে রেখেছেন। সে একজন সাংগঠনিক ছেলে এমনটাই মনে করছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ । সে এখন সভাপতির পদ প্রত্যাশী বিনয়কাঠি আওয়ামীলীগের একাংশে মানুষ মনে করেন তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ার যোগ্যতা রাখে।
আবির, সেই ২০১২-১৩ সাল থেকে ওয়াড ছাত্রলীগের সাথে জড়িত ও পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাথে এসেছে।
এবং সে একজন আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য। রাজনৈতিক দিক দিয়ে পরীক্ষিত ও দক্ষ একজন কর্মী।
আবিরকে সভাপতি পদে কিছু আওয়ামী লীগ কর্মী সমর্থকরা দেখতে চায় এবং সকলের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা আছে।
অন্তত, ব্যক্তির রাজনীতি থেকেই তার ছাত্রলীগে আসা, হঠাৎ করে ২০১৯-২০ সালে দিকে সে ছাত্রলীগে আসে। ইউনিয়ন ছাত্রলীগের বিলুপ্তি ঘোষণা করার পর থেকেই তাকে দেখা যায় এর আগে কখনো তাকে ছাত্রলীগের কোন প্রোগ্রাম বা কোন কমিটিতে তার অংশগ্রহণ ছিল না। একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত রাজনীতিবিদ হিসেবেই এলাকায় পরিচিত। এছাড়া আলাদা করে তার ছাত্রলীগের কোন নাম নেই বললেই চলে সেও সভাপতি পদ প্রত্যাশী।