
স্টাফ রিপোর্টার:
রাজধানী মিরপুর দারুস সালাম থানার, দ্বিবনগর দীর্ঘদিন ২৫ বছর যাবত বসবাস করেই আসছে! ফাহিমা আক্তার ও তার স্বামী সন্তানকে নিয়ে। হঠাৎ করে লোভের লালসায় পড়ে গেলেন স্বামী আলী।
ফাহিমা আক্তার (৪৬) ২০২১সাল থেকে বসবাস করি: ১৯ শতাংশ জায়গা নেই ২০১৫ সালে। সে পর থেকে আমি বসবাস করি আসছি , আমার স্বামী মোঃ আলী (৭০) । আমাকে একেবার এক মারধর করেন, শুধু তাই নয় হাতের কাছে যা পায় সে দিয়ে আমার শরীরে আঘাত করেন ! এই দেখতে পারছেন আমার এই হাতের গোড়ায় পিঠে পায়ে কত দাগ হয়ে আছে, আমি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে হসপিটালে ভর্তি ছিলাম অনেকদিন যাবত এই দেখতে পারছেন আমার পিক্সেশন এই ঔষধ প্রতি মাসে এখনো ১০ হাজার টাকা লাগে কোথায় পাব টাকা বুঝেই পাচ্ছিনা আমি খুব অসুস্থ। আমি যদি কোন প্রতিবাদ করতে গেলে আমার স্বামী আলী, গালমন্দ করে। সে একটি মেয়েকে নিয়ে আমার বাসায় এসে থাকার চেষ্টা করে আমি দিতে বাধা দেওয়ার কারণে তারা আমাকে এলোপাথালি, কিলকুশি লাথি, দেন। আমার ছেলে এবং মেয়েকে অনেক অকথ্য ভাষায়, গালাগালি, করেন এবং মারধর করে বাড়ি তাড়িয়ে দেয় ছেলেমেয়েদের কোন খোজ খবর রাখেন না। আমি মানসিক ও শারীরিকভাবে খুব আমাকে নির্যাতন করেন আমার স্বামী আলী, আমি ছেলেমেয়েদেরকে নিয়ে থাকা বড় খুব কষ্টকরে থাকি । সরকার আমাকে একটি ঘর দিয়েছে সেখানে থেকেও আমি থাকতে পারতেছি না সেখানে এসে আমাকে অত্যাচার করে আমাকে কোন খাওন-পরন কিছুই দেয় না। আমি অনেক কষ্ট করে জীবন যাপন করি,ছেলেমেয়েদেরকে। শুধু আলী জুয়া গাজা, ইয়াবা ,মদসহ বিভিন্ন খারাপ কাজের সাথে জড়িত আছেন, অত্যাচার সহ্য না করতে পেরে তার বিরুদ্ধে আমি থানায় দারুস সালাম থানা একটি লিখিত অভিযোগ করি। একপর্যায়ে লোকজন কে নিয়ে আমার বাড়ি ভাঙচুর করে বলে তোকে মেরে ফেলবো। ছয় মাস আগে একটি মেয়েকে নিয়ে মোহাম্মদপুর আদাবরে রাত যাপন করে এলাকাবাসীর তাকে ধরে মারধর করেন। আমার কাছে টাকা চায় আমি নিরুপায়, হয়ে স্বামীর জন্য এবং ভালোবাসার জন্য তাকে টাকা দিয়।
৭৪ হাজার টাকা। শুধু তাই নয় এমনকি মাঝে মাঝে এসে আমার কাছে টাকা নেই আমি সবকিছু উৎসর্গ করে দিয়েছি স্বামীর জন্য তারপরও সে আমার উপর একের পর এক অত্যাচার নির্যাতন করেই আছে। আমি দারুস সালাম থানায় যেয়ে, নারী এ শিশু নির্যাতনের একটি তার বিরুদ্ধে মামলা দায় করি। আলীকে এরেস্ট করে কেরানীগঞ্জ জেল হাজতে পাঠায়, সেখান থেকে লোকজন ছাড়িয়ে নিয়ে এসে আমার উপরে ভয়ংকর ভাবে হামলা চালান। কি করব নিরুপায় হয়ে গেছি বাঁচতে তো হবেই। আমার দুটি ছেলে একটি মেয়ে এখনো লেখাপড়া করে একটি হাফেজ মাসে ৬০০০ টাকা খরচ হয় আর একটি মেয়ে এখনো পড়াশোনা করে কোন খোঁজ খবর আমাদেরকে রাখেনা। আমার স্বামী মোঃ আলী তার বসবাস আহমেদ নগর হাড্ডি পট্টি ওখানে একটি আমি অনেক কষ্ট করে দিনরাত পরিশ্রম করে, ছেলেমেয়েদেরকে একটু বস্তি এলাকায় একটি বাড়ি কিনে, সেখানে বসবাসকরি। কোনরকম টিনের ছাপড়া দিয়ে থাকি এক পর্যায়ে জায়গাটি আমি কিনে নি। সেখানে থাকার অবস্থায় আমাকে মারধর করে লিখে নেওয়ার চেষ্টা করে । আমি বাঁচার জন্য একটি চায়ের দোকান করি! কোন রকম কষ্ট করে সেটাও একটু বাঁচার জন্য চেষ্টা করি , সেটা আমার কপালে আর জুটলো না আমার স্বামী আলী মার দরকরে আমাকে এখান থেকে তাড়িয়ে দেয় ? শুধু তাই নয় আমি নৌকাকে ভোট দেওয়ার কারণে আমার স্বামী অত্যাচার করে সে জঙ্গি এবং বিএনপির সাথে জড়িত বিএনপিদেরকে নিয়ে রাতের আধারে গোপন বৈঠক করে এটা আমি ভিডিও ফুটেজ করতে গেলে সে প্রমাণ পাওয়ার পর আমার পর আর নিকেতন বেড়েই যায়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার বিশেষ আবেদন মা ,আপনি আমাকে বাঁচান, আপনার কাছে আবেদন করছি বিষয়টি দেখার জন্য। আপনার থাকতে দিয়েছেন আমাকে আপনার ঘরে আমি সেই ঘরে থাকতে পারিনা আমার স্বামী বিএনপির ক্যাডার বাহিনী নিয়ে উচ্ছেদ করার জন্য লেগে আছে । আমি বাঁচতে চাই ছেলে সন্তানকে নিয়ে এক মুঠো ভাতের জন্য অনেক কষ্ট করেছিলাম আপনার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি সব পারেন আপনি বিষয়টি আমার দিকে একটু দেখুন। আমি আওয়ামী লীগের কোন অঙ্গ সংগঠনের সাথে জড়িত থাকি এবং প্রোগ্রামে আওয়ামী লীগের কাতারে আমি থাকি সেজন্য আমার উপর নির্যাতনের অত্যাচার বেড়েই চলে। আমি কেন আওয়ামী লীগ সংগঠনের সাথে থাকি কিসের জন্য থাকি কি স্বার্থের জন্য থাকি এই নিয়ে আমার সাথে বাকবিতণ্ড হয়। এক পর্যায়ে আমার স্বামী আলী বলেন সাংবাদিক এ নিয়ে আমার বিরুদ্ধে যদি নিউজ করানো হয় তাহলে তোকে ক্রসফায়ার করে তুরাগ নদীতে ফালিয়ে দেব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার বিশেষ আবেদন! আপনি আমাকে বাঁচান আমি বাঁচতে চাই।