সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

জলঢাকা শৌলমারী ইউনিয়নে ভুয়া কাজী সেরাজুলের তথ্য ফাঁস।

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১২৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নে ভুয়া কাজী সিরাজুলের দৌরাত্ব দিন দিন বেড়েই চলছে।

এই ধরনের ভুয়া কাজীরা কিছু টাকার লোভে পড়ে নষ্ট করতেছে হাজারো ছেলে মেয়ের জীবন। অপ্রাপ্তবয়স্ক কিছু ছেলে মেয়ে ভালোবাসার মোহে পড়ে অবিভাবকের অনুমতি ছাড়া চলে যায় তাদের কাছে বিয়ে করার জন্য। আর তখনই ফায়দা লোটে এরকম কাজীরা। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে করিয়ে দেয় বিয়ে। আর সেটাও হয় জালিয়াতি নকল কিছু কাগজ পত্র দেখিয়ে। তারা প্রতিনিয়ত করে আসছে এই রকমের জঘন্য কাজ, যাহার সাক্ষী হিসাবে আছে অনেক মানুষ।

এরকমই একজন জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের সেরাজুল কাজী। তিনি প্রতিনিয়ত বাল্যবিবাহ গুলো পড়িয়ে থাকেন।

বাল্যবিবাহ একটি অপরাধ, সেটা জানার পরেও তিনি আইন না মেনে বারবার ঘটাইতেছে একই ঘটনা।
এরকম একাধিক বাল্যবিবাহ তিনি পড়িয়েছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ বিষয় নিয়ে অনেক অবিভাবক সিরাজুল কাজীর
নামে অভিযোগ করেছেন থানা এবং কোর্টে।
সিরাজুল কাজী অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ভায়া কাজী ব্যবহার করেন।
সেরাজুল কাজীর নেই কোন নির্ধারিত কাগজ পাতি, তিনি দেখাতে পারেন না তিনি নিজের পরিচয় গোপন রেখে আবার ভায়া কাজী নিয়োগ দিয়ে অনেক জায়গায় বাল্যবিবাহ পড়ান।
সবচেয়ে চর এলাকাগুলোতে বেশি দেখা যায় ছোট ছোট শিশু বাচ্চার জীবন তারা নষ্ট করে দিয়েছে। ভূয়া জন্মনিবন্ধন তৈরি করে বিয়ে দিয়ে পরের দিনে আবার নকল প্রদান করেন। আর এই এক একটি নকল প্রদানের নাম করে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে দশ হাজার, বিশ হাজার, ত্রিশ হাজার টাকা পর্যন্ত। বলতে গেলে এটা এক ধরনের মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায় করা। এই টাকার লোভে পড়ে তারা ধ্বংস করে দিতেছে কিশের সমাজ। সিরাজুল কাজীর নামে একাধিক অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। জেলে রেজিস্ট্রার অফিসেও তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। নেয়া হয়নি তেমন কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা। তারা আইনকে ফাকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে এরকম অনৈতিক ও আইনবিরোধী কাজ। এলাকাবাসীর দাবি অনতিবিলম্বে এই কাজী পরিচয় বহন কারী সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। যাতে করে ওনার এরকম অনৈতিক কার্যকলাপে আর কোনো বাল্যবিবাহ না হয়। আর কোনো কিশোর কিশোরীর জীবন নষ্ট না হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park