
বিশেষ প্রতিনিধি:
ঢাকার দোহারে সংঘবদ্ধ দুর্ধর্ষ চোরচক্র গ্রেফতার, স্বর্ণ- মোবাইলসহ চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
জনৈক হাসিবুর রহমান@ উজ্জ্বল তালুকদার( ৫০),সাং- উত্তর শিমুলিয়া, থানা -দোহার, জেলা -ঢাকা একজন সৌদি প্রবাসী। তার বসত ঘর একটি টিনশেড বিল্ডিং। তার দুই ছেলে এক মেয়ে। মেয়ে মরিয়ম কে একই গ্রামের পার্শ্ববর্তী বাড়িতে বিবাহ দেন। বিবাহের পর তার মেয়ে তার স্বর্ণের গহনা বাবার বাড়িতে আলমারির ভিতর তালাবদ্ধ করে রাখত। গত ১১/১১/২০২৩ ইং তারিখে রাত অনুমান ০৮:৩০ ঘটিকায় দোহার থানাধীন উত্তর শিমুলিয়া জান্নাতুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে অংশগ্রহণ করার জন্য তার মেয়ে মরিয়ম আক্তার সহ ঘরের সকল সদস্য টিনশেড ঘরটি তালাবদ্ধ করে ওয়াজ শুনতে যান। মাহফিল শেষে একই তারিখ রাত অনুমান ১১ঃ২০ ঘটিকায় বাসায় প্রবেশ করে দেখেন যে তার ঘরের উপরের চালার টিন কেটে গৃহে প্রবেশ করে আলমারির তালা ভেঙ্গে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা এ সময় আলমারির ভিতরে থাকা
১.পাঁচ ভরি ওজনের স্বর্ণের ১ টি সীতাহার, যার মূল্য অনুমান ৫,০০০০০/ টাকা।
২.স্বর্নের তৈরী ৮ আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল যার মূল্য অনুমান ৫০,০০০/ টাকা।
৩. ১ টি Honor ব্রান্ডের এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন যার মূল্য অনুমান ২০,০০০/ টাকা।
৪. ১ টি পুরনো Samsung ব্রান্ডের এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন যার মূল্য অনুমান ১২,০০০/ টাকা এবং
৫.নগদ ১০,০০০/ টাকা চুরি করিয়া নিয়া যায়।
বিষয়টি সংক্রান্তে দোহার থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হলে ঢাকা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মো: আসাদুজ্জামান, পিপিএম (বার) মহোদয়ের নির্দেশে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মো: আমিনুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জনাব আশরাফুল আলম, দোহার সার্কেল মহোদয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ও অপারেশন পরিকল্পনায় জনাব মোস্তফা কামাল,অফিসার ইনচার্জ,দোহার থানার নেতৃত্বে জনাব ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম সুমন, এসআই জসীম উদ্দিন, এসআই দেলোয়ার হোসেনসহ দোহার থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িত ০২ (দুই) জন আসামী ১.মিলন চোকদার(২৯),পিতা- সেলিম চোকদার, সাং- বেথুয়া
২.নাজির(৩৪),পিতা- মৃত সোনা মিয়া,সাং-দোহার উভয় থানা- দোহার,জেলা -ঢাকা কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।তারা প্রাথমিকভাবে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। এসময় গ্রেফতারকৃত আসামিদের দেখানোমতে তাদের হেফাজত থেকে নিম্নলিখিত চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়-
০১ টি স্বর্নের তৈরী সিতাহার, মূল্য অনুমান ৫,০০০০০/ টাকা
০১টি Honor ব্রান্ডের এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন যার মূল্য অনুমান ২০,০০০/ টাকা
০১ টি Samsung ব্রান্ডের এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন যার মূল্য অনুমান ১২,০০০/ টাকা
গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য হয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন এলাকায় রেকি করে ফাকা বাড়িতে/তালাবদ্ধ ঘরে চুরি করে আসছে বলে তারা স্বীকার করে। উক্ত দলের সদস্যগণ বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে ছদ্মবেশে তথ্য সংগ্রহ করতো ও টার্গেট ঠিক করতো, পরে একত্রে চুরি করে সটকে পড়তো। ধৃত আসামীদের সাথে আরো কারা জড়িত আছে সে বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত আছে।