
নিজস্ব প্রতিনিধি:
নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের করুন দশা। করে রেখেছেন হেট মাষ্টার ও তার সহযোগীরা। এবং স্কুলের বাচ্চা একবারে নেই বলেই চলে, দুই একজন বাচ্চা থাকলেও তাদের দারা দেওয়া হচ্ছে ঝাড়ু। বাচ্চারা বলেন আমাদের সাথে তারা অমানবিক নির্যাতন এবং আমাদের দ্বারায় সব কার্যকর্ম করেন। এবং স্কুলের উপস্থিত দুজন বাকি তিনজন ওয়ান উপস্থিত পাওয়া যায় । এবং, বাধ্যতা মূলক একটি শহীদ মিনার থাকার কথা থাকলেও সেটিও দেখা যায়নি।
হেট মাষ্টার বলে আমাদের জায়গা হয়নি তাই করনী এবং তিনি আরো বলেন আমি আর সহ কারী শিক্ষা অফিসার এই টাকা ভাগ করে নিয়েছি। এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সহকারী অফিসার বলেন আপনারা জা লেখেন লেখেন এই শহীদ মিনারের কোন বাজেট ছিল না। যেখানে শহীদ মিনার প্রাথমিক সরকারি বিদ্যালয় এর জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে সেখানে তিনি এমনটা কেন বলল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন। আপনারা সাংবাদিক আপনারা যা দেখেছেন তাই লেখেন সমস্যা নাই বলে জানান।
এলাকাবাসীরা জানান এটি কি বিদ্যালয় না কি আমরা নিজেও জানিনা। এটি ঘটেছে,
নিজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিরগঞ্জ ইউনিয়ন।
প্রধান শিক্ষক মোঃ খাইরুজ্জামান খান (৫৫) সহকারি শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম (৬০) মোছাঃ সাহিদা বেগম (৫০) রিনা খানো (৩০) মোঃ মাজহারুল ইসলাম (২৮) তারা বলে স্কুলের বাচ্চাদের দিয়ে আমরা ঝাড়ু দেব এখানে কারো কিছু কোন সমস্যা আমরা দেখি না। প্রতিনিয়ত আমরা বাচ্চাদের দিয়েই ঝাড়ু দোয়াই বলে জানিয়েছে ওই বিদ্যালয় এর সহকারী শিক্ষিকা রিনা খানো, আসলে এই যদি পরিবেশ হয় শিক্ষার মান কিভাবে এগিয়ে যাবে। বলেন এলাকাবাসী চেয়ে আছেন অভিভাবকরা।