
মোঃ আল আমিন ইসলাম
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
মোছাঃ আধরি আক্তার চারডাংগী হাই স্কুলে লেখাপড়া চলাকালীন অবস্থায়। বিভিন্ন রকমের কু প্রস্তাব দিয়ে এবং বিভিন্ন সময় রাস্তাঘাটে ডিস্টার্ব করে ফুসলিয়ে ফাসলে। ধর্ষণ করেন মোছাঃ আধরি আক্তার কে। ধর্ষক মোঃ ও রহিদুল ইসলাম বাবু, বিভিন্ন জায়গায় যে য়ে বাসা ভাড়া করে নিয়ে পরিচয় দিতেন স্বামী স্ত্রীর,
এভাবেই চলতে থাকতে থাকতে বাবা-মা জানতে পারে মেয়েটির গর্ভে বাচ্চা। তখন তারা এলাকাবাসীকে ডেকে একটি সালিশের ব্যবস্থা করেন এবং সেই সালিশে। মোছাঃ আধরি আক্তার কে তারা ১৫ শতাংশ জায়গা দিয়ে রহিদুল ইসলাম বাবু, বিয়ে করেন। পরে তারা মেয়েটিকে বিভিন্ন রকমের হুমকি ধামকি ও মেরে ফেলার হুমকি দেখিয়ে মেয়েটির কাছ থেকে জমি তারা জোরপূর্বক লিখে নেন।
লেখে নিয়ে শুরু করেন মেয়েটির সাথে অমানবিক নির্যাতন নিপীড়ন ও মেয়েটিকে বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর-শাশুড়ি থেকে শুরু করে ননদ যা সবাই ধরে ধরে মারে। এভাবেই তারা নির্যাতিত করত মোছাঃ আধুরি আক্তার কে। এবং এই বিষয় নিয়ে এলাকাবাসী একাধিকবার বিচার করে কোন সুরহাপায়নী ছেলের পক্ষ থেকে। শুধু তাই নয় এই বিষয় নিয়ে তারা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশনে জলঢাকা উপজেলা শাখা অফিসে একটি অভিযোগ দায়ের করলে। সেটির তদন্তে গেলে পাওয়া যায় এবং শোনা যায় ছেলের বাবা, বলে আমরা ওই মেয়েকে বাড়িতে ঢুকাবো না, এবং ও যদি এই বাড়িতে আসে আমরা তাকে মেরে ফেলবো। এবং ছেলে মোঃ রহিদুল ইসলাম বাবু সে বলে আমার বউ একজন খারাপ মহিলা, বলে অনেক জায়গায় খারাপ মন্তব্য করেন। মেয়েটার সম্মান হানির জন্য তারা উঠে পড়ে লেগেছে। এ যেন নির্যাতিত করেও তাদের স্বাদ মেটেনি, এখন উঠে পরে লেগেছে তার পরিবারের উপর এবং শুরু করেছে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র। মেয়ের বাবা মোঃ ইমদাদুল হক (৪০) একজন ভ্যানচালক ও কষ্ট করে দিন যাপন করে তার পরও শুরু করেছে তারা অমানবিক নির্যাতন এলাকাবাসীরা জানান তারা টাকার গরমে এলাকায় বিভিন্ন অসামাজিক কার্য ক্রমে তারা লিপ্ত। এবং রহিদুল ইসলাম বাবু, নষ্ট করেছে অনেক মেয়ের জীবন। এলাকাবাসীরা জানান তাকে যদি এখন এই আইনের আওতায় আনা নাহ হয় সে দিন দিন বেড়ায় হয়ে যাচ্ছে। এবং নষ্ট করতেছে অনেক মেয়ের জীবন। এলাকাবাসীরা জানান এমদাদুল হক একজন ভ্যানচালক কষ্ট করে তার বউ বাচ্চা নিয়ে খুব কষ্ট করে আছে। এই সময়ের ভেতর তার মেয়েকে তারা জোরপূর্ব বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন না। এবং মোছাঃ আধুরি আক্তার বলেন আমার বিচার আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের কাছে আমার বিছার চাই। এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা চাই, আমি আমার স্বামীর ঘরে যেতে চাই। আমার বাবা হতদরিদ্র আমার বাবার ঘাড়ের উপর বসে আমি কিভাবে খাব, আমার বাবা আমাকে ঠিকমতো ভাত কাপড় দিতে পারে না আমাকে বিয়ে দিয়ে আমার বাবা কেন এই নির্যাতন সহ্য করবে। আমি আপনাদের কাছে এই কথার জবাব চাই। এলাকাবাসীদের মতামতে জানা যায়, মোঃ নুরুল হক তাজেল, ও তার পরিবারের লোকজন আইন সম্পর্কে কিছু তারা বোঝেনা তারা আইনকে বারবার অবমাননা করে এবং আইনের মানুষকে নিয়ে বারবার কটুক্তি করে। ও তারা বলে যে আমাদের কেউ কিছু করতে পারবে না আমাদের কাছে টাকা আছে আমরা টাকা দিয়ে সবকিছু কিনে নেব। এ যেন টাকার ভান্ডার করে রেখেছে।