সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

ওসি মোঃ মুক্তারুল আলম এর বুদ্ধিমত্তায় গ্রেফতার হলো ৫ (পাঁচ) জন সক্রিয় গরু চোর। অনুষ্ঠিত হলো প্রেস রিলিজ।

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩১৫ বার পঠিত

মোঃ আল আমিন ইসলাম
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার বিগত কিছুদিন গত হল এক রাতেই গরু চুরি হয় পাঁচটি, বালাগ্রাম ইউনিয়ন থেকে। তারপরে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়ে এই চোরদের ধরার জন্য অবশেষে ধরা পড়লো জলঢাকা থানা পুলিশের জালে।
এর আগে বালাগ্রাম ইউনিয়ন থেকে অনেক গরু চুরি হয়ে যায় কে বা কাহারা এই গরুগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। তখন থেকেই, অফিসার ইনচার্জ জনাব মোক্তারুল আলমের বুদ্ধিমাত্তায় গরু চোরদের ধরতে সক্ষম হয় জলঢাকা থানা পুলিশ। এবং জনাব মোক্তারুল আলম যখন থেকে জলঢাকা থানায় পদার্পণ করেন তখন থেকেই শুরু হয়েছে। মাদক, জুয়া, বিভিন্ন রকমের চোর, এবং চিটার, বাটপার, সহ একাধিক কাজ করে দেখিয়েছেন জলঢাকা উপজেলার সাধারণ মানুষ কে। বুঝিয়ে দিলেন তিনি একজন সৎ এবং যোগ্য পুলিশ অফিসার। এবং জলঢাকা উপজেলার সকল পুলিশ অফিসার পুলিশ সদস্য তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে জলঢাকা উপজেলা আজকে মাদক মুক্ত, ও জুয়া মুক্ত, হয়ে গেছে। এবং সাধারণ মানুষ অন্যায় কাজ অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হতে ভয় পায়। শুধু জলঢাকা থানার পুলিশের ভয়, জলঢাকা থানায় সৎ ও যোগ্য পুলিশ অফিসার থাকার
কারণেই, জলঢাকা থানা অনেক উন্নত হয়েছে, যেমন বেশ কিছু পুলিশ অফিসার, মোঃ উজ্জল হোসেন, থানার সেকেন্ড অফিসার, মোঃ মতিয়ার রহমান এসআই, আখতার রহমান এসআই, আলমাস হোসেন এসআই, মিনহাজুল ইসলাম
এসআই, নিত্যনন্দন রায়
এসআই, জুয়েল বিশ্বাস এসআই, এবং এএসআই নুরুল হুদা, এএসআই হারুনুর রশিদ, এএসআই মামুন, তাদের এই তৎপরতায় জলঢাকা উপজেলার মানুষ শান্তিতে বসবাস করতেছেন। এবং আলোর মুখ সামনের দিকে দেখতেছেন সন্তানদের নিয়ে। সম্ভব একটি গর্বিত থানার কারণে সেটি হচ্ছে। এবং তাদের এই ভালো কাজ দেখে এবং মাদকের বিরুদ্ধে যে জোরালো অভিযান এ দেখে খুশি হয়েছেন বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী ও মানবাধিকার কর্মীরা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। জলঢাকা থানা স্মার্ট থানা,,

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park