সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

জলঢাকায় বালাগ্রাম ইউনিয়নের সুরির মোড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে বেকারি পন্য ও শিশু খাদ্য তৈরীর কাজ।

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১২১ বার পঠিত

মোঃ আল আমিন ইসলাম
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের সুরীর মোড়ে চলছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি ও শিশু খাদ্য তৈরীর কারখানা।

এ রকম অসাস্থকর পরিবেশে তৈরি খাবারে, জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু বাচ্চারা সহ বয়স্করা ও বৃদ্ধরা। এরকম খোলামেলা পরিবেশে খাদ্য তৈরিতে দেখা যাচ্ছে অনেক জীবানু থাকার কারনে রোগ বালাই এর সৃস্টি হয়।
বিভিন্ন ইউনিয়নে এই পণ্যগুলো সরবরাহ করছে ঐ বেকারির মালিক মোঃ বাবুল হোসেন। বেকারির মালিক বাবুল হোসেনকে এ ব্যাপারে তাহার বৈধ কাগজ পত্র আছে কিনা বা এ রকম পরিবেশে শিশু খাদ্য দ্রব্য তৈরী করার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে কারো কিছু করার নেই। আমার মন যেভাবে চায় সেভাবে খাদ্য তৈরি করে আমি মানুষকে খাওয়াবো।

এ ব্যাপার আমি বুঝবো এবং যারা এসব খায় তারা বুঝবে।
এখানে আপনাদের কোন কিছু বলার নেই।
সে যেন ওখানে একটা মানুষের রোগব্যাধী তৈরির কারখানা খুলে রেখেছেন বেকারির নামে। শক্ত মাটিতে রেখে এ খাদ্যগুলো তৈরি করতেছে ঐ বেকারির মালিক বাবুল হোসেন।
ছোট ছোট বাচ্চা দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে যেটটা শিশুশ্রম আইনের আওতায় পড়ে। সেটা ও জানেনা ঐ বাবুল মিয়া।
ওখানে তৈরি হচ্ছে শিশু খাদ্য যেটি হচ্ছে বিস্কুট, মিষ্টি ঝাল বিস্কুট, কেক, রুটি, চানাচুর, ও আরো অনেক পণ্য।
অবিলম্বে এই বেকারি বন্ধ অথবা আইনগত ব্যাবস্থা না নিলে এসব খাদ্য দ্রব্য খেয়ে হয়তো মারাত্মক সাস্থহীনতা ও নানাবিধ রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হবে ঐ এলাকার শিশু সহ নানা বয়সের মানুষ। তাই এলাকা বাসি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও স্যেনিটারী অফিসার মাহাদ্বয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার দাবি জানিয়েছে।
এলাকাবাসীর একটাই দাবি এরকম ঝুকিপূর্ণ খাদ্যদ্রব্য তৈরি ও বিপনন বন্ধ হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park