সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

কুড়িগ্রামে উদ্বোধনের পর থেকেই বন্ধ রয়েছে ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার।

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২০১ বার পঠিত

রফিকুল ইসলাম রফিক,
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের দাসিয়ারছড়ায় ডিজিটাল সার্ভিস অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং সেন্টার (ডি-সেট) কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্মাণ করেছে সরকার।

কর্মসংস্হান সৃষ্টির লক্ষ নিয়ে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার কালিরহাট বাজারের পাশে ২০২১ সালের মার্চে সেন্টারটি উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এর পর থেকেই তালাবদ্ধ রয়েছে সেন্টারটি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে ডিজিটাল সেন্টারটি কোনো কাজে আসছে না বলে দাবি এলাকার বাসিন্দাদের।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, দাসিয়ারছড়ার তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ডিজিটাল সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়। ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইদুল আরীফ বলেন, ‘ডিজিটাল সার্ভিস এমপ্লয়মেন্ট সেন্টারটি পরিদর্শন করেছি। সেখানে কিছু সমস্যা আছে। প্রশিক্ষকসহ অন্য জনবল নিয়োগ দিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হবে। এটি চালু হলে সেখানকার বেকার সমস্যা সমাধান হবে।’
এবিষয়ে ছিটমহল বিনিময়ের সাবেক নেতা গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করার পর মুক্ত হয়ে পাকা সড়ক, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা সুবিধা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সেতু সবই পেয়েছি। কিন্তু ছিটমহল বিনিময়ের আট বছরে নিজেদের অর্থনৈতিক কোনো উন্নয়ন করতে পারিনি। একমাত্র ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টারটি ঘিরে আমরা আশা করেছিলাম, ভালো কিছু হবে। ভেবেছিলাম, আমাদের সন্তানরা এখানে প্রশিক্ষণ নিয়ে রোজগার করতে পারবে। কিন্তু উদ্বোধনের পর দুই বছর ধরে এটি বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার এটি চালুর কথা জানানো হলেও তারা কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

ফুলবাড়ী দাসিয়ারছড়ার বাসিন্দা সাহেদ আলী বলেন,সেন্টার উদ্বোধন হওয়ার পর অনেক ভরসা ছিল ছেলে-মেযেদের কর্মসংস্হান হবে কিন্তু না এটি কোন কাজে আসছেনা। এ অবস্হায় সেন্টারটি চালুর জোড়দাবী জানাচ্ছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park