সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

কাজির হাট ফলের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান।

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪
  • ২৬০ বার পঠিত

নুর আলম:

শরীয়তপুরের জাজিরার ঐতিহ্যবাহী কাজির হাটে তরমুজ ও খেজুরের দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করেছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর। এসময় মূল্য তালিকা না থাকায় দুটি দোকানে সতর্কতামূলক জরিমানা জরিমানা করা হয়।

রোববার (১৭-মার্চ) দুপুরে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ সুজন কাজীর নেতৃত্বে কাজির হাটের ফলপট্টিতে চালানো হয় এ অভিযান। এদিকে অভিযানের সঙ্গে সঙ্গেই কমে যায় তরমুজ, খেজুরসহ বিভিন্ন ফলের দাম। হটাৎ দাম কমায় ক্রেতারাও দোকানে ফল কিনতে ভীড় জমান। ক্রেতাদের দাবী ম্যাজিস্ট্রেট গেলেই বেড়ে যাবে ফলের দাম। তাই মোবাইল কোর্ট চলাকালীন সময়ের মধ্যেই কেনাকাটা শেষ করতে ফলের দোকানে ভীড় জমিয়েছেন তারা।

তবে বিক্রেতাদের দাবী বর্তমানে বাজারে তরমুজ ও খেজুরের চাহিদা বেশি। তাই তারাও অধিক মূল্যে পাইকারি কিনেছেন। কমদামে বিক্রি করলে লস গুনতে হবে তাদের।

চলমান অভিযান সম্পর্কে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ সুজন কাজী আজকের সংগ্রামকে বলেন, চলতি রমজানে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে আমরা আজ কাজির হাটে অভিযান পরিচালনা করেছি। খেজুর, তরমুজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দাম নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম হিসেবে এ অভিযান চলমান থাকবে।

তিনি আরও জানান, আমরা বিভিন্ন জায়গায় শুনতে পাচ্ছি তরমুজ কেজি দরে বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী। আমরা এখানে এসে ফল দোকানদারদের বলেছি, যেগুলো আপনারা পিস হিসেবে কিনবেন তা বিক্রি করার সময়ও পিস হিসেবে বিক্রি করবেন। কেজি দরে কিনলে কেজি দরে বিক্রি করবেন। অবশ্যই ক্রয়কৃত মালের ভাউচার রাখবেন, এবং ১০ থেকে ১৫ পার্সেন্ট লাভে মালামাল বিক্রি করবেন। ফল কেনার সময় ক্রেতাদেরও সতর্ক হতে অনুরোধ করেন তিনি।

এসময় ভোক্তা অধিকারের সাথে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা, কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর একজন সদস্য ও জেলা পুলিশের একটি টীমসহ স্থানীয় বাজার কমিটির লোকজন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park