
রামগঞ্জ লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধ।
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার ১০ নং ভাটরা ইউনিয়নের ডল্টা গ্রামের ভূইয়া বাড়ির মোঃ আবুল কালাম ও তার মেয়ে আসমা আক্তার মুনিয়ার বিরুদ্ধে বাড়ির মুরুব্বি ও এলাকাবাসীর এই অভিযোগ উঠে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গত ৩০/০৪/২০২৪ ইং মঙ্গলবার রাত ০৮.৩০এর সময় স্থানীয় ভূইয়া বাড়ির সামনে একটি অচিন ছেলেকে আনাগোনা করতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর ছেলেটা ভূইয়া বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। তারপর এলাকাবাসী ও বাড়ির লোকজন বাড়ির বিভিন্ন ঘর খোঁজা খুঁজির পর রাত১০.০০টার সময় আবুল কালাম এর ঘরে তার মেয়ে আসমা আক্তার মুনিয়ার রুমে ছেলেটি এবং মুনিয়াকে উলঙ্গ অবস্থায় পাওয়া যায়। এই সময় মেয়েটির পিতা আবুল কালাম ঘরের সামনের রুমে অবস্থান করছিল। বাড়ির মুরুব্বীরা জানান মেয়ের এইসব কুকীর্তির সাথে তার বাবা আবুল কালাম সব সময় জড়িত ছিল। বাড়ির লোকজন ছেলেটি এবং মেয়েটিকে বাড়ির উঠালে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে ছেলেটি তার নাম ঠিকানা প্রকাশ করে, তার নাম মোঃ জাকির হোসেন পিতা মোঃ আনোয়ার হোসেন বাড়ি চিতোষী নোয়াগাঁও, জাকির হোসেন আরো বলেন মুনিয়ার সাথে দীর্ঘদিন থেকে তার ভালোবাসার সম্পর্ক আছে । মাঝে মাঝে রাতে সে একইভাবে মুনিয়ার সাথে দেখা করতে আসতো এ বিষয়ে তার বাবা সহ পরিবারের সকলেই জানে, পরে এলাকার লোকজন ও বাড়ির মুরুব্বিরা একত্রিত হয়ে তাদের বিবাহের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করিলে ছেলে এবং মেয়ে দুজনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার জন্য রাজি হয়। কিন্তুু মেয়ের বাবা এই বিবাহতে রাজি নেই। তাই এলাকার লোকজন জাকির হোসেন ও আসমা আক্তার মুনিয়াকে রামগঞ্জ থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এবং পুলিশ তাদের লক্ষীপুর কোর্টে প্রেরণ করে। এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে এলাকায় তুমুল তোলপাড় ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়। ভূঁইয়া বাড়ির মুরুব্বিরা জানান বিগত তিন চার বছর ধরে এই বাড়িতে মুনিয়া কে নিয়ে এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটে আসছে।এর আগে মুনিয়ার নিজ বাড়ির সম্পর্কে কাকা হয় মাহবুব নামের একটি ছেলের সাথে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্কের কারণে পেগনেট হয়ে যায়। তারপর মাহবুবের পরিবারের লোকজন আবুল কালামকে টাকা পয়সা দিয়ে এ ঘটনা ধাপা চাপা দেয়।তারপর তার নিজ বাড়ির বিলাল হোসেনের ছেলে তইয়্যেব সাথেও একই দীর্ঘদিন সম্পর্কের পর একই ঘটনা ঘটে, আরো জানা যায় নরমপুর ভূঁইয়াবাড়ির রাকিব হোসেন নামের একটি ছেলের সাথে মুনিয়ার শারীরিক সম্পর্ক ধরা খেলে রাকিব মুনিয়ার বাবাকে দশ হাজার টাকা দে এবং সে চুপ হয়ে যায়। নিজ গৃহে তার আপন বড় বোনের স্বামীর সাথেও একই বিছানায় বাড়ির লোকজন তাকে হাতেনাতে ধরে। এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বাড়ির লোকজন মুনিয়ার বাবা আবুল কালামকে সতর্ক করে প্রতিবাদ করতে চাইলে তিনি সকলকে মামলা হামলার হুমকি প্রদান করেন। ভয়ে বাড়ির লোকজন আবুল কালাম ও তার মেয়ের কাছে জিম্মি হয়ে আছে। কিছুদিন আগে আবুল কালাম এর চাচাতো ভাইয়ের ছেলে মোঃ মহসিন সহ অন্যান্যরা প্রতিবাদ করতে গেলে, আবুল কালাম তার মেয়েকে সাথে নিয়ে প্রতি বাদীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রদান করে এমনকি আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এমতাবস্থায় মহসিন এর পরিবারের ও বাড়ির লোকজন এবং এলাকাবাসী এই সমস্ত কুলাঙ্গার লুভি দেহ ব্যবসায়ী বাবা ও তার মেয়ের প্রতি আইনের কাছে বিচার দাবি করে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মহসিন রাশেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন গত ৪-৫ বছর যাবত এদের অনেক বিচার করেছি। এদের বাবা ও মেয়েকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে এই সমস্ত অসামাজিক পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার জন্য, কিন্তু টাকার লোভে তারা অন্ধ হয়ে আছে। তাদের কারণে যুব সমাজ ধ্বংসের পথে। আমি চেয়ারম্যান সাহেব এর সাথে যোগাযোগ করে এর একটা সমাধান করবো বলে আশ্বস্ত করেন।