সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় ‘মেকি’ প্রকল্প: সওজের কাজেও দরপত্র, তোলা হলো বিল।

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি, (পাবনা)
মোঃ গোলাম মোস্তফা :

ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় আগে থেকেই অন্যান্য দপ্তরের অর্থায়নে সম্পন্ন হওয়া সড়কে পুনরায় প্রকল্প দেখিয়ে ৮৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকার বিল তোলার চেষ্টা এবং একাধিক প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পৌরসভার কিছু কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের যোগসাজশে অন্তত তিনটি প্রকল্পে কোনো কাজ না করেই বিল উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

তথ্য যাচাই করে জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) ২০২২-২৩ অর্থবছরে ভাঙ্গুড়া পৌর এলাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে। কিন্তু ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পৌরসভা ওই একই সড়কে আবারও সংস্কারের দরপত্র আহ্বান করে। পৌরসভার ঘোষিত তিন প্রকল্পের বরাদ্দ ছিল যথাক্রমে:

শিশুকুঞ্জ থেকে শিমুলতলা: ২৫ লাখ টাকা শিমুলতলা থেকে জগতলা: ৩৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা বাজার চারমাথা মোড় থেকে কালিবাড়ী বাজার: ২৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা কিন্তু এসব সড়কের কাজ ইতোমধ্যে সওজের তত্ত্বাবধানে ঠিকাদার মিঠু সরদার ও ওহিদুল ইসলাম সম্পন্ন করলেও পৌরসভা তাদের প্রকল্প বাতিল করেনি।

আগের উপজেলা প্রশাসক নাজমুন নাহার গত ২৬ আগস্ট এসব প্রকল্প বাতিলের প্রস্তাব পাঠালেও তা এখনো কার্যকর হয়নি।

একের পর এক অনিয়ম—
শরৎনগর বাজারের কলেজ মোড় থেকে বাংলা স্যারের মোড় পর্যন্ত ১৫০ মিটার সড়কের জন্যও দরপত্র আহ্বান করা হয়। অথচ এলজিইডির অর্থায়নেই সে সড়কের সংস্কার কাজ আগেই শেষ হয়েছিল। কোনো কাজ না করেই ঠিকাদার সঙ্গীত কুমার পাল বিল তুললেও পরে বিষয়টি জানাজানি হলে কাজ শুরু করেন।

তেমনি শরৎনগর বাজারে গরুহাট থেকে জিগাতলা পর্যন্ত ২০০ মিটারের প্রকল্পেও ঠিকাদারের বিল তোলার পর দীর্ঘদিন কাজ হয়নি। এখন দায়সারাভাবে নিম্নমানের কাজ চলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ সড়কে নিম্নমানের কার্পেটিং করা হয়েছে। কোনো সড়কে টেক কোড বা প্রাইম কোড ছাড়াই বিটুমিন ছড়িয়ে কার্পেটিং করা হচ্ছে, আবার কোথাও কাজ শেষের পরদিনই বসে গেছে—এমন দৃশ্য চোখে পড়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে।

অভিযোগ অস্বীকার
অভিযোগ বিষয়ে ঠিকাদার সঙ্গীত কুমার পাল বলেন, “অনেক দিন আগেই কাজ কিনেছি। এখন লস হলেও কাজ শেষ করব।” তবে দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ থাকার কারণ জানাননি তিনি।

পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন, “সওজ ও এলজিইডির কাজ হওয়া প্রকল্পগুলো বাতিলের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই প্যাকেজে থাকায় আলাদা করে বাতিল কঠিন।”

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বর্তমান পৌর প্রশাসক মিজানুর রহমান বলেন, “এসব প্রকল্প আগের মেয়রের সময়ের। কার্যক্রম বাছাই করে দেখা হচ্ছে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ—আগে সম্পন্ন হওয়া সড়কে নতুন করে প্রকল্প দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা চলছে। প্রশাসনিক পরিবর্তনের পর কেউ কেউ কাজ শুরু করলেও বেশ কিছু ঠিকাদার বিল ফেরত দেয়ার প্রস্তুতিতে রয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park