
শাহেদ আহমেদ,
সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা এলাকায় কপোতাক্ষ নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়া জেলে মো. আরিফ হাসান (৩৫)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৯ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাট সংলগ্ন নদী এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আরিফ হাসান চাকলা গ্রামের মৃত আব্দুল হাই সানার ছেলে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৮ জুন) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে প্রতিদিনের মতো একাই নৌকায় করে কপোতাক্ষ নদীতে মাছ ধরতে যান আরিফ হাসান। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে হঠাৎ তার নৌকায় বজ্রপাত আঘাত হানে। বজ্রপাতের তীব্রতায় তিনি নৌকা থেকে ছিটকে নদীতে পড়ে যান এবং তার ব্যবহৃত নৌকাটিও ডুবে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয় জেলে, স্বজন ও এলাকাবাসী ব্যাপক খোঁজাখুঁজি চালিয়ে ডুবে যাওয়া নৌকাটি উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও আরিফ হাসানের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও ডুবুরিরা নদীতে অনুসন্ধান অভিযান পরিচালনা করে।
দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে চাকলা এলাকা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাটের পাশে নদীতে ভাসমান অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হলে তারা সেটি আরিফ হাসানের বলে শনাক্ত করেন।
প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুর রউফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি চলছিল। ফায়ার সার্ভিসসহ স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।”
এদিকে আরিফ হাসানের মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ। স্থানীয়রা তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।আশাশুনির চাকলায় বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার, শোকের ছায়া এলাকাজুড়ে
শাহেদ আহমেদ, সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা এলাকায় কপোতাক্ষ নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়া জেলে মো. আরিফ হাসান (৩৫)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৯ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাট সংলগ্ন নদী এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আরিফ হাসান চাকলা গ্রামের মৃত আব্দুল হাই সানার ছেলে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৮ জুন) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে প্রতিদিনের মতো একাই নৌকায় করে কপোতাক্ষ নদীতে মাছ ধরতে যান আরিফ হাসান। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে হঠাৎ তার নৌকায় বজ্রপাত আঘাত হানে। বজ্রপাতের তীব্রতায় তিনি নৌকা থেকে ছিটকে নদীতে পড়ে যান এবং তার ব্যবহৃত নৌকাটিও ডুবে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয় জেলে, স্বজন ও এলাকাবাসী ব্যাপক খোঁজাখুঁজি চালিয়ে ডুবে যাওয়া নৌকাটি উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও আরিফ হাসানের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও ডুবুরিরা নদীতে অনুসন্ধান অভিযান পরিচালনা করে।
দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে চাকলা এলাকা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাটের পাশে নদীতে ভাসমান অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হলে তারা সেটি আরিফ হাসানের বলে শনাক্ত করেন।
প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুর রউফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি চলছিল। ফায়ার সার্ভিসসহ স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।”
এদিকে আরিফ হাসানের মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ। স্থানীয়রা তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।