সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ১৩ নেতাকর্মী আ’ট’ক পাঁচবিবিতে ওসির অ’ভি’যা’নে মা’দ’ক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৬০ বোতল ফা’য়া’র’ডি’ল উ’দ্ধা’র কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উ’দ্বা’র কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অ’ভি’যা’নে ২৩৫০ ভারতীয় বাজিসহ গ্রে’প্তা’র-১৬ ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিল খেয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থী হাসপাতালে দলীয় মনোনয়ন পেলে উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার প্রত্যয় শাহ আলমের কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’ট’ক বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে ৩২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ০১ টি কষ্টি পাথর সদৃশ্য মূল্যবান পাথরের মূ’র্তি আ’ট’ক ন‌ওগাঁর পোরশায় ট্যা’পে’ন্টা’ড’লসহ দুই মা’দ’ক কারবারি আ’ট’ক নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁ’জা’সহ একজন গ্রে’প্তা’র

সারের সংকটে কৃষক বিপাকে – বাজারে কৃত্রিম সারের ঘাটতির অভিযোগ।

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৯ বার পঠিত

মোঃ আল আমিন ইসলাম
নীলফামারী প্রতিনিধি:

মৌসুম শুরুর আগেই ননইউরিয়া সার—টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি—যোগানে তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে নীলফামারীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। সরকারি অনুমোদিত ডিলারদের বরাদ্দ কম থাকায় প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ডিলারদের দাবি, ইউরিয়া সার পর্যাপ্ত থাকলেও বিএডিসি সরবরাহকৃত ননইউরিয়া সারের বরাদ্দ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। শীতকালীন মৌসুমে কৃষিকাজ বেড়ে যাওয়ায় সারের প্রয়োজনও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বরাদ্দ অর্ধেকে নেমে আসায় সার সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। তবে যতটুকু সার ডিলারের গোডাউন ঘরে যায় সেই সার আবার অটো গাড়ী, ভ্যান গাড়ীতে করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হয়ে ব্যবসায়ীদের দোকান ঘড়ে চলে যায়। জলঢাকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের নজরদারি না থাকায় এরকম সারের সংকটে পড়তে হচ্ছে কৃষকদের।
কৃষকরা বলছেন, ডিলারের কাছে গেলে সার পাওয়া যাচ্ছে না, অথচ খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে মিলছে পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং সরকারি সার গুলো। কৃষকদের অভিযোগ—এটি পরিকল্পিত সংকট তৈরি করেছে ডিলাররা। সরকারি দামে সার বিক্রি না করে গোপনে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে সরবরাহ করছেন, ফলে সাধারণ কৃষকরা বাজারে গিয়ে অতিরিক্ত দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
নীলফামারী জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের এক কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, “আইডি কার্ড দেখালে বিঘাপ্রতি মাত্র ১০ কেজি সার দেয়। ১২ বিঘা জমির জন্য লাগবে ৪৬০ কেজি সার, কিন্তু পাই মাত্র ৮০ কেজি। বাকি সার বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হয় বেশি দামে। তবে সচেতন নাগরিকরা বলতেছেন ডিলার গুলো সারের দাম একটু বেশি পাওয়ার লোভে পড়ে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন,আর এদিকে সার পাচ্ছেন কৃষকরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 daily Ajker Songram
Customized By Shakil IT Park