
মোঃ আল আমিন ইসলাম
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের সুরীর মোড়ে চলছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি ও শিশু খাদ্য তৈরীর কারখানা।
এ রকম অসাস্থকর পরিবেশে তৈরি খাবারে, জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু বাচ্চারা সহ বয়স্করা ও বৃদ্ধরা। এরকম খোলামেলা পরিবেশে খাদ্য তৈরিতে দেখা যাচ্ছে অনেক জীবানু থাকার কারনে রোগ বালাই এর সৃস্টি হয়।
বিভিন্ন ইউনিয়নে এই পণ্যগুলো সরবরাহ করছে ঐ বেকারির মালিক মোঃ বাবুল হোসেন। বেকারির মালিক বাবুল হোসেনকে এ ব্যাপারে তাহার বৈধ কাগজ পত্র আছে কিনা বা এ রকম পরিবেশে শিশু খাদ্য দ্রব্য তৈরী করার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে কারো কিছু করার নেই। আমার মন যেভাবে চায় সেভাবে খাদ্য তৈরি করে আমি মানুষকে খাওয়াবো।
এ ব্যাপার আমি বুঝবো এবং যারা এসব খায় তারা বুঝবে।
এখানে আপনাদের কোন কিছু বলার নেই।
সে যেন ওখানে একটা মানুষের রোগব্যাধী তৈরির কারখানা খুলে রেখেছেন বেকারির নামে। শক্ত মাটিতে রেখে এ খাদ্যগুলো তৈরি করতেছে ঐ বেকারির মালিক বাবুল হোসেন।
ছোট ছোট বাচ্চা দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে যেটটা শিশুশ্রম আইনের আওতায় পড়ে। সেটা ও জানেনা ঐ বাবুল মিয়া।
ওখানে তৈরি হচ্ছে শিশু খাদ্য যেটি হচ্ছে বিস্কুট, মিষ্টি ঝাল বিস্কুট, কেক, রুটি, চানাচুর, ও আরো অনেক পণ্য।
অবিলম্বে এই বেকারি বন্ধ অথবা আইনগত ব্যাবস্থা না নিলে এসব খাদ্য দ্রব্য খেয়ে হয়তো মারাত্মক সাস্থহীনতা ও নানাবিধ রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হবে ঐ এলাকার শিশু সহ নানা বয়সের মানুষ। তাই এলাকা বাসি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও স্যেনিটারী অফিসার মাহাদ্বয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার দাবি জানিয়েছে।
এলাকাবাসীর একটাই দাবি এরকম ঝুকিপূর্ণ খাদ্যদ্রব্য তৈরি ও বিপনন বন্ধ হোক।